• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

নোটা-য় না পড়লে বদলাত ছবি, দাবি বিজেপির

NOTA
নোটা-য় পড়া ভোট পেলে বিজেপির ভাগ্য অনেকটাই বদলে যেতে পারত। ছবি: সংগৃহীত।

পাঁচ রাজ্যে ভোটের ফলে নোটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে নির্বাচন কমিশনের হিসেবেই প্রকাশ। বিজেপির দাবি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের মতো রাজ্যে নোটা-য় পড়া ভোট তাদের ঘরেই আসার কথা। হিসেবেই প্রকাশ, ওই ভোট পেলে বিজেপির ভাগ্য ওই দুই রাজ্যে অনেকটাই বদলে যেতে পারত।   

নির্বাচন কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, ছত্তীসগঢ়ে নোটা পড়েছে ২,৮২,৭৪৪টি যা প্রদত্ত ভোটের ২ শতাংশ। ওই রাজ্যে সমাজবাদী পার্টি, এনসিপি, সিপিআইয়ের মতো সাতটি দলের প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে নোটার সংখ্যা বেশি। মধ্যপ্রদেশে নোটা পড়েছে ৫,৪২,২৯৫টি। তা ওই রাজ্যে প্রদত্ত ভোটের ১.৪ শতাংশ। রাজস্থানে নোটার সংখ্যা ৪,৬৭,৭৮১টি যা প্রদত্ত ভোটের ১.৩ শতাংশ। তেলঙ্গানায় নোটা পড়েছে ২,২৪,৭০৯টি যা প্রদত্ত ভোটের ১.১ শতাংশ। মিজোরামে নোটার সংখ্যা ২,৯১৭টি। তা প্রদত্ত ভোটের ০.৫ শতাংশ।

এই হিসেব অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে ভোটপ্রাপ্তির ফারাক ০.১ শতাংশ। ফলে ১.৪ শতাংশ ভোট নোটা-র ঘরে না পড়ে বিজেপির ঘরে এলে ফল পরিবর্তনের সম্ভাবনা ছিল। আবার রাজস্থানে কংগ্রেস ও বিজেপির ভোটপ্রাপ্তির ফারাক .৫ শতাংশ। এ ক্ষেত্রেও ১.৩ শতাংশ ভোট নোটা-য় না পড়ে বিজেপির ঘরে এলে ফলের চেহারা অন্য রকম হতো।

বিজেপি সূত্রের দাবি, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে নোটা-য় পড়া ভোট তাদেরই। তাদের দাবি, দলিতদের মন জয়ের চেষ্টার ফলে বিজেপির উচ্চবর্ণ ও ওবিসি ভোটারেরা মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছেন। আবার তাঁদের অসন্তোষ সামলাতে যাওয়ার ফলে অনেক ক্ষেত্রে দলিত ভোট হাতছাড়া হয়েছে। বিজেপি নেতারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রদেশে প্রায় ৭টি আসন ১ হাজারের কাছাকাছি ভোটের জন্য হাতছা়ড়া হয়েছে। ঘরোয়া আলোচনায় বিজেপির এই যুক্তি মেনে নিচ্ছেন কংগ্রেস নেতারাও।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন