জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্টে বিচার পাওয়া যাচ্ছে না বলে গত কাল সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিলেন কয়েক জন আবেদনকারীর আইনজীবীরা। তাতে প্রয়োজনে কাশ্মীরে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার কথা বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ। কিন্তু কাশ্মীরের আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট-সহ অনেক আইনজীবীকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ফলে হাইকোর্টে কাজ প্রায় বন্ধ।

নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর থেকে বেশ কিছু যুবককে জন সুরক্ষা আইনে আটক করা হয়েছে। গত কাল সেই আইনই প্রয়োগ করা হয়েছে ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধেও। কিন্তু হাইকোর্টে এই ধরনের মামলার লড়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় বাসিন্দারা সাধারণত যে আইনজীবীদের উপরে ভরসা করেন তাঁদের অনেকেই এখন পুলিশ হেফাজতে। জম্মু-কাশ্মীর হাইকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে খবর, ওই সংগঠনের সভাপতি মিয়াঁ আব্দুল কায়ুম,  জি এইচ শাহিন, নাজির রোঙ্গা-সহ হাইকোর্টের বেশ কয়েক জন প্রথম সারির আইনজীবী গ্রেফতার হয়েছেন। কোন অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। বস্তুত যে সব আইনজীবী গ্রেফতার হননি তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই সরকারি কৌঁসুলি বলে বার অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে খবর। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, বিচারপতিরা নিয়মিত এজলাসে আসছেন। কিন্তু আইনজীবীরা না থাকায় শুনানি হচ্ছে না। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা লোপের বিরুদ্ধে কোনও আবেদন শোনা হবে না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি গীতা মিত্তল।

থামছে না সাংবাদিকদের হেনস্থাও। প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদের পালা চলছে। সপ্তাহখানেক আগে গণ গ্রেফতারি নিয়ে খবর লেখার জেরে এক জাতীয় সংবাদপত্রের সাংবাদিককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।