লখনউ থেকে দিল্লির আনন্দ বিহারগামী একটি বাস নালায় পড়ে মৃত্যু হল ২৯ জনের। সোমবার ভোরে ৪৪ জন যাত্রী-সহ যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে ধরে যাচ্ছিল বাসটি। পুলিশ জানিয়েছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি ৫০ ফুট নীচে একটি নালায় পড়ে যায়। উদ্ধার হয়েছে ২৯টি মৃতদেহ।

পুলিশ সূত্রের খবর, রবিবার রাত ১০টা নাগাদ যাত্রা শুরু করেছিল বাসটি। সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেই সময়ে বাসে সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে কেউই সতর্ক হতে পারেননি। ঘুমন্ত অবস্থায় চালক রাস্তার ধারে রেলিং ভেঙে বাস নিয়ে নীচের নালায় পড়ে যান। দুর্ঘটনার ঘণ্টা দু’য়েক বাদে ক্রেন দিয়ে টেনে সোজা করা হয় বাসটিকে। তার পরে ভিতর থেকে মৃতদেহগুলি বার করা হয়। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। মৃতদের পরিবারগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে উত্তরপ্রদেশের সড়ক পরিবহণ দফতর। একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে, গত ৫ বছরে যমুনা এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায় পাঁচ হাজার দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৭০০ জনের। সোমবারের ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে টুইট করেছেন নরেন্দ্র মোদী।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।