পরিষদীয় সচিব নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু তার পরেও মণিপুরে ১২ পরিষদীয় সচিব পদত্যাগ করেননি। তাই তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য বিরোধী কংগ্রেস রাজ্যপালের কাছে নালিশ ঠুকেছে। রাজ্যপাল এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের উদ্যোগ নেওয়ায় আইনি সাহায্য নিচ্ছে এন বীরেন সিংহের সরকারও।

অসমের পরিষদীয় সচিব সংক্রান্ত এক মামলায় ২০১৬-য় সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে অসমে পরিষদীয় সচিব নেই। আইন মেনে মিজোরামের সব পরিষদীয় সচিব পদত্যাগ করেছেন। মেঘালয়ের পরিষদীয় সচিবরাও গত বছর পদত্যাগ করেন। কিন্তু নাগাল্যান্ডের ২৬ জন পরিষদীয় সচিব পদত্যাগ করবেন না বলে জানিয়েছিল সরকার। অরুণাচলের পরিষদীয় সচিবরা পদত্যাগ দূরে থাক, গত বছর আরও পাঁচ জনকে নতুন করে নিয়োগ করা হয়। সেখানে পরিষদীয় সচিব এখন ২৩ জন।

মণিপুরের সব পরিষদীয় সচিব গত বছর পদত্যাগ করলেও বিরোধী দল কংগ্রেস রাজ্যপাল নাজমা হেপতুল্লার কাছে জোড়া নালিশ ঠুকে দাবি করেছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও এক বছর পদত্যাগ না করে, মন্ত্রীদের সমান বেতন ও সুবিধে উপভোগ করে বেআইনি কাজ করেছেন। তাই তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ করা উচিত। আইনি উপদেষ্টাদের মত নেওয়া শুরু করলেও বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাননি রাজ্যপাল। এই পরিস্থিতিতে বীরেন সিংহের সরকারও আইনি উপদেষ্টাদের সাহায্য নিচ্ছে। অভিযুক্ত পরিষদীয় সচিবদের মধ্যে আছেন ৮ জন বিজেপি, ৩ জন এনপিএফ ও ১ জন নির্দল বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এক বছর আগেই পরিষদীয় সচিবরা ইস্তফা দেন। তাই রাজনৈতিক উদ্দেশে করা ওই অভিযোগ অযৌক্তিক।