বিলগ্নিকরণ দফতরের সচিব হিসেবে নিয়োগের মাত্র তিন মাসের মধ্যে অনিল কুমার খচিকে সরিয়ে দিল মোদী সরকার। অনিলকে তাঁর রাজ্য হিমাচলপ্রদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। ওই পদে আনা হচ্ছে ওড়িশা ক্যাডারের অফিসার তুহিনকান্ত পাণ্ডেকে।

জুলাইয়ে বাজেটের পরেই অর্থসচিব তথা আর্থিক বিষয়ক দফতরের ভারপ্রাপ্ত সচিবের পদ থেকে সুভাষচন্দ্র গর্গকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বিলগ্নিকরণ দফতর থেকে তুলে এনে গর্গের পদে বসানো হয় অতনু চক্রবর্তীকে। সে সময়ে অনিলকে বিলগ্নিকরণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। চলতি অর্থ বছরেই এয়ার ইন্ডিয়ার পাশাপাশি ভারত পেট্রোলিয়াম, কন্টেনার কর্পোরেশন, শিপিং কর্পোরেশন, টিএইচডিসি, নিপকো-র মতো সংস্থার বিলগ্নিকরণ করে ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা তুলতে চাইছে সরকার। এ দিকে আজই কন্টেনার কর্পোরেশনের ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর রাহুল গাঁধীর অভিযোগ, এ রকম লাভজনক সংস্থা কিনতে প্রধানমন্ত্রীর ‘লোভী শিল্পপতি বন্ধু ক্ষুধার্ত’। রাহুলের ইঙ্গিত আদানি গোষ্ঠীর দিকে। এরই মধ্যে বিলগ্নিকরণ দফতরে দ্রুত বদলি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি ভাবে অবশ্য বলা হয়েছে, অনিলকে ব্যক্তিগত কারণে হিমাচলে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। 

এ দিকে, গর্গের স্বেচ্ছাবসরের পর  নতুন বিদ্যুৎসচিব হবেন সঞ্জীব নন্দন সহায়। আধার কর্তৃপক্ষের নতুন সিইও হবেন পঙ্কজ কুমার।