দুর্ঘটনাগ্রস্ত ভারতীয় বায়ুসেনারএএন-৩২ বিমানের খোঁজ আগেই মিলেছিল। এ বার দুর্ঘটনার ১০ দিনের মাথায় ওই বিমানের১৩ জন আরোহীর মৃতদেহরও খোঁজ মিলল। বায়ুসেনা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার অরুণাচল প্রদেশের ঘন জঙ্গল থেকে দেহগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই বিমানের ব্ল্যাকবক্সটিরও সন্ধান মিলেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরেই বায়ুসেনার তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, ওই দুর্ঘটনায় বায়ুসেনার কোনও সদস্যই জীবিত নেই। পর্বতারোহী-সহ ১৫ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল গত কয়েক দিন অরুণাচলের বিভিন্ন প্রান্তে ওই আরোহীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল। দেহগুলির ছাড়াও ব্ল্যাক বক্সের ককপিট ভসেস রেকর্ডার ও ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার-এর তথ্য উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

দুর্ঘটনায় মৃতআধিকারিকদের নামের তালিকাও প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা। তাঁরা হলেন উইং কমান্ডার জি এম চার্লস, স্কোয়্যাড্রন লি়ডার এইচ বিনোদ, ফ্লাইট লেফ্টেন্যান্ট আর থাপা, এ তনওয়ার, এস মোহান্তি, এম কে গর্গ, ওয়ারেন্ট অফিসার কে কে মিশ্র, সার্জেন্ট অনুপ কুমার এস, কর্পোরাল শরিন এন কে, লিডিং এয়ারক্র্যাফ্টম্যান এস কে সিংহ ও পঙ্কজ-সহ বায়ুসেনার দু’জন কর্মী পুতালি ও রাজেশ কুমার। বায়ুসেনার এক আধিকারিক বলেন, “হেলিকপ্টারের সাহায্যে ওই এলাকা থেকে মৃতদেহগুলিনিয়ে আসা হবে।”

আরও পড়ুন: এনআরএস-এর পাশে সারা দেশ, দিল্লির এইমস-সহ বিভিন্ন রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজে চলছে কর্মবিরতি

আরও পড়ুন: হুমকিতেই ক্রুদ্ধ চিকিৎসকরা, ‘প্রেস্টিজ ইস্যু’ করবেন না, মমতাকে আর্জি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

বিমান দুর্ঘটনায় মৃত ১৩ জন বায়ুসেনা আধিকারিক ও কর্মী। ছবি: সংগৃহীত।

গত ৩ জুন বায়ুসেনার আধিকারিক ও কর্মী-সহ ১৩ জন আরোহীকে নিয়ে এএন-৩২ বিমানটি বেলা ১টা নাগাদ অরুণাচলের সিয়াং এবং সি ইয়োমি জেলার আকাশ থেকে হারিয়ে যায়। অসমের যোরহাট থেকে অরুণাচলের মেচুকায় যাওয়ার কথা ছিল ওই বিমানটির। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, খারাপ আবহাওয়ার জন্য কোনও পাহাড়ের গায়ে ধাক্কা লেগে ভেঙে পড়ে বিমানটি। তবে উদ্ধার করা ব্ল্যাক বক্সটি তথ্য বিশ্লেষণ করার পরই দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরYouTube Channel - এ।