ইভিএম কিংবা ভিভিপ্যাট সম্পর্কে ভুল তথ্য দিলে ভোটারদের শাস্তি দেওয়ার আইনকে নতুন করে খতিয়ে দেখবে নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা বুধবার এ কথা জানিয়েছেন।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনও ভোটার যদি অভিযোগ আনেন, ইভিএম কিংবা ভিভিপ্যাটে তাঁর ভোট নথিভুক্ত হয়নি, তা হলে তিনি  ৪৯-এমএ ধারা অনুযায়ী ‘টেস্ট ভোট’ দেওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু অভিযোগ যদি ভুল প্রমাণিত হয়, তখন নির্বাচনী আধিকারিক ওই ভোটারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারেন। ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য মামলা হবে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৭৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী। যাতে ছয় মাস পর্যন্ত জেল বা হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় শাস্তিই হতে পারে। ভোট চলাকালীন ভুয়ো অভিযোগ কমাতেই কমিশন এই ব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে অরোরা জানিয়েছেন, লোকসভা ভোট শেষ হয়ে যাওয়ায় বিষয়টি এখন নতুন করে খতিয়ে দেখবে কমিশন।

ভোটারকে শাস্তি দেওয়ার এই আইনকে নাগরিকদের অধিকারে হস্তক্ষেপের নমুনা হিসেবে তুলে ধরে মামলা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। আবেদনকারীর মতে, এই আইন অসাংবিধানিক। গত এপ্রিলে এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের মত জানতে চেয়েছিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।