যান্ত্রিক গোলযোগের জেরে বিপত্তি। টেক অফের পরই মুখ থুবড়ে পড়ল বায়ুসেনার বিমান। তাতে প্রাণ হারালেন দুই পাইলট।  শুক্রবার বেঙ্গালুরুর ইয়েমালুরু হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেডের (হ্যাল) রানওয়েতে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় স্কোয়াড্রন লিডার সিদ্ধার্থ নেগি ও সমীর আব্রোলের মৃত্যু হয়েছে বলে বায়ুসেনা সূত্রে জানা গিয়েছে।

বলা হয়েছে, দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে ফরাসি সংস্থা দাসোর তৈরি একটি মিরাজ ২০০০ যুদ্ধ বিমান। একটি মাত্র ইঞ্জিন বিশিষ্টি হাল্কা ওজনের এই বিমান সাধারণত প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। এ দিন সকালে হ্যালের রানওয়ে থেকে সেটি রওনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টেক অফের পরই বিপত্তি বাধে। রানওয়ের উপর মুখ থুবড়ে পড়ে বিমানটি।

দুর্ঘটনার হাত থেকে পাইলটদের রক্ষা করতে বিমানে সাধারণত বিশেষ প্রযুক্তি থাকে।আসনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে প্যারাস্যুট। যার মাধ্যমে আসনসমেত বিমানের বাইরে বেরিযে আসতে পারেন তাঁরা। এ ক্ষেত্রেও সেই ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু তাতেও রক্ষা হয়নি।বিমান থেকে বেরোতে গিয়ে জ্বলন্ত ধ্বংসাবশেষের উপরই গিয়ে পড়েন দুই পাইলট। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় একজনের। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় অন্যজনের।

আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তের আয়করে ছাড় দ্বিগুণ, ভোটের বাজেটে আর কী কী, দেখে নিন​

আরও পড়ুন: চাইছি আমেরিকার বন্ধুত্ব, ট্রাম্পকে চিঠি চিনা প্রেসিডেন্টের​

যান্ত্রিক গোলযোগের জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান বায়ুসেনার তদন্তকারীদের। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।

এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে বায়ুসেনার দু’-দু’টি বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ল। সোমবার উত্তরপ্রদেশের কুশিনগর জেলায় ভেঙে পড়ে একটি বিমান। যদিও সে যাত্রায় রক্ষা পান বিমানের পাইলট। তবে মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে দু’-দু’টি দুর্ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে বায়ুসেনার। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।