বিজেপির প্রাপ্ত ভোটে এগিয়ে উত্তরপ্রদেশ, তার পরেই বাংলা
এ বারের লোকসভা নির্বাচনে ৩০৩টি আসন দখল করেছে নরেন্দ্র মোদী- অমিত শাহের দল। গত বারের তুলনায় ওই সংখ্যা বেশ খানিকটা বেড়েছে।
BJP

প্রতীকী ছবি।

গত বারের তুলনায় আরও বেশি জনসমর্থন নিয়ে দিল্লি দখল করেছে বিজেপি। পরিসংখ্যান বলছে, পদ্মশিবির সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে উত্তরপ্রদেশে। তার পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের মতে, বাংলায় দলের সাফল্য আসা এ বারের নির্বাচনে অন্যতম পাওনা।

এ বারের লোকসভা নির্বাচনে ৩০৩টি আসন দখল করেছে নরেন্দ্র মোদী- অমিত শাহের দল। গত বারের তুলনায় ওই সংখ্যা বেশ খানিকটা বেড়েছে। গৈরিক শিবিরের প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণও বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে গোটা দেশে বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ২২.৯ কোটি। তার মধ্যে হিন্দি বলয়ের সবচেয়ে বড় রাজ্য থেকে বিজেপি পেয়েছে ৪.২ কোটি ভোট। তার পরেই পশ্চিমবঙ্গ। বঙ্গে মোদী-শাহের দলের প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণ ২.৩ কোটি। এর পর মধ্যপ্রদেশ। সেখানে বিজেপি পেয়েছে ২.১ কোটি ভোট। তালিকায় চতুর্থ, পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে রাজস্থান, গুজরাত ও কর্নাটক। পদ্ম শিবিরের প্রাপ্ত ভোটের তালিকায় প্রথম ছ’টি রাজ্যের মধ্যে মাত্র দু’টি এখন বিজেপি শাসিত। 

উত্তরপ্রদেশে বিজেপির সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ার পিছনে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করছেন দলের নেতারা। তাঁদের মতে, মোদী সরকারের একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। মূলত, উজ্জ্বলা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পে শৌচালয় নির্মাণের কাজে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতারা কথায়, ‘‘দলের শক্তিশালী সংগঠনের পাশাপাশি সরকারে উন্নয়নমূলক প্রকল্প দলের সাফল্যের অন্যতম কারণ।’’

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভোট এবং আসন বৃদ্ধি রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা দেশকেই। রাজ্যের তৃণমূল বিরোধী ভোট কার্যত এককাট্টা হয়েই গিয়েছে বিজেপির দিকে। যার জেরে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা দুই থেকে এক লাফে ১৮তে পৌঁছেছে। সঙ্গে প্রাপ্ত ভোটের পরিমাণও বহুগুণে বেড়েছে। মধ্যপ্রদেশে মাস ছয়েক আগে ক্ষমতা দখল করলেও লোকসভা নির্বাচনে তার ফায়দা তুলতে পারেনি কংগ্রেস। বরং বিজেপির ভোট অটুটই রয়েছে।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত