ইস্তফা দিয়েছেন অলোক বর্মা। তা গৃহীত হয়েছে কি না স্পষ্ট নয়। ঝামেলা চলছে সিবিআইয়ের অন্দরেও। এমনই পরিস্থিতিতে আজ সিবিআই নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী। দাবি করলেন, তিনি আইন মেনে চলারই পক্ষপাতী। বরং কংগ্রেসই তা মানে না। 

রামলীলা ময়দানে দলীয় সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী এ দিন টেনে আনলেন পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ ও ছত্তীসগঢ়ের প্রসঙ্গ। যে তিন রাজ্যে সিবিআই প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মোদীর বক্তব্য, গুজরাতে মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় কংগ্রেসের ইশারায় তাঁকে সব রকম হেনস্থা করা হয়েছে, জেরা করা হয়েছে। ‘অমিতভাই’কে (অমিত শাহ) তো জেলেই পাঠিয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি সিবিআইয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেননি। কেন? মোদী বলছেন, তিনি আইন মানেন।

মোদীর কথায়, ‘‘গুজরাতে আমরা সিবিআইয়ের প্রবেশ আটকাতে পারতাম। কিন্তু আমি আইনে বিশ্বাস করি। কিসের ভয়? কমপক্ষে আদালতে ভরসা রাখো। আজ সিবিআইয়ে ভরসা নেই, কাল বলবে সেনা, সুপ্রিম কোর্ট, নির্বাচন কমিশন, সিএজি সব ভুল!’’ পাল্টা অভিযোগে, কংগ্রেসের মণীশ তিওয়ারি বলেন, ‘‘প্রাক্তন বিচারপতি এ কে পট্টনায়েকের বিবৃতির পর তো প্রধানমন্ত্রীরই জবাব দেওয়া উচিত, অলোক বর্মাকে কেন সিবিআই ছাড়তে হল? রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দু’জন গভর্নরকে কেন ছাড়তে হল? প্রতিষ্ঠানকে কে নষ্ট করছে? প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নীরব কেন?’’

আরও পড়ুন: আরও নরম, মোদীত্ব ভুলে কবুল ব্যর্থতাই