দিন দুয়েক আগেই অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে ভেঙে পড়েছে বায়ুসেনার কপ্টার। মারা গিয়েছেন সাত জন নিরাপত্তারক্ষী। আজ বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে বাহিনীর প্রধান বি এস ধানোয়া জানালেন, বিষয়টি নিয়ে বাহিনী উদ্বিগ্ন। তাঁর মতে, ‘‘প্রাণহানি ও বাহিনীর সম্পদ নষ্ট হওয়া উদ্বেগের বিষয়। এমন ঘটনা এড়ানোর জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি।’’

পঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার পরে নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছিল। বায়ুসেনা প্রধান জানান, তার পরে সব ঘাঁটির নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এই ধরনের হামলা রুখতে নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করেছে বাহিনী। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগামী কয়েক বছরে বায়ুসেনার ভোল বদলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে দাবি ধানোয়ার। তিনি জানান, মিরাজ ২০০০, মিগ ২৯ ও জাগুয়ার বিমানের প্রযুক্তির উন্নতি করা হয়েছে। কয়েক বছরের মধ্যে ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান হাতে পাওয়ার কথা বায়ুসেনার। সেইসঙ্গে ভারতীয় যুদ্ধবিমান তৈরির ক্ষেত্রে সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলে বায়ুসেনার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যাবে বলে মনে করেন ধানোয়া। ধানোয়ার কথায়, ‘‘মেক ইন ইন্ডিয়া নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশীয় অস্ত্র উৎপাদনে জোর দেওয়া হয়েছে। বায়ুসেনা সব সময়েই এই উদ্যোগের পাশে আছে।’’ তাঁর মতে, দেশে তৈরি ‘অ্যাডভ্যান্সড লাইট হেলিকপ্টার’, ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং রাডার ব্যবহার করছে বায়ুসেনা। সেগুলির দক্ষতা দেখেই বোঝা যায়, দেশীয় অস্ত্র উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারত কতটা এগিয়ে গিয়েছে।