বন্দিদশায় মৃত্যু হল অসমের সেই ‘মারকুটে’ হাতি লাদেনের। রবিবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয় বলে বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসেনি বলে জানিয়েছেন মঙ্গলদইয়ের ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার বি ভি সন্দীপ।

গত ১১ নভেম্বর কন্যাকুচি অভয়ারণ্য থেকে আচমকাই গোয়ালপাড়া জেলায় ঢুকে পড়ে তাণ্ডব চালায় ওই হাতিটি। তার পায়ের নীচে পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় পাঁচ জনের। তাতে ভয় পেয়েই এলাকাবাসী ওই হাতির নাম দেন লাদেন।

বিষয়টি জানতে পেরে বন দফতরের কর্মীদের নিয়ে তড়িঘড়ি ওই এলাকায় ছুটে যান সুটিয়ার বিজেপি বিধায়ক পদ্ম হাজারিকা। ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে তাকে শান্ত করা হয়। তার পর লরিতে চাপিয়ে তুলে আনা হয় ওরাং জাতীয় উদ্যানে।

গতকাল মারা যায় হাতিটি। ছবি: পিটিআই।

আরও পড়ুন: যখন যেখানে দরকার যাব, কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই, শিলিগুড়িতে মন্তব্য রাজ্যপালের​

গত এক সপ্তাহ ধরে ওই ওরাং জাতীয় উদ্যানেই চিকিৎসা চলছিল তার। সেখানে নতুন নামকরণও হয় তার। এলাকাবাসীর দেওয়া নাম লাদেন পাল্টে তার নতুন নাম রাখা হয় কৃষ্ণ। মাহুতদের পরিচর্যায় সেরেও উঠছিল সে। কিন্তু রবিবার ভোর পৌনে ৬টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: শনিবার থেকে উধাও, পাটুলির বৃদ্ধকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাওয়া গেল বজবজের এটিএএমে​

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওরাং জাতীয় উদ্যানে কয়েক দিন রাখার পরই হাতিটিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শুরুতে। কিন্তু তা নিয়ে স্থানীয়রা প্রতিবাদ জানালে সেখানেই তাকে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পরই এই ঘটনা।