কাশ্মীরে রক্তদান করে প্রসূতি ও সদ্যজাতর প্রাণ বাঁচালেন এক সিআরপি জওয়ান।  রোজকার কর্তব্যের বাইরে গিয়ে তাঁর এই পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে নেট দুনিয়ায়।  গত কয়েক বছরে রাজনৈতিক টানাপড়েন, হানাহানি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্ঘর্ষ যখন উপত্যকার পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেই মুহূর্তে ওই জওয়ানের এমন পদক্ষেপকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন সকলে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন গুলশনের বাসিন্দা, ২৫ বছরের এক মহিলা। সন্তান প্রসবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে মা ও সন্তানের প্রাণ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়। উপায় না দেখে কাশ্মীরে সিআরপি-র হেল্পলাইন ‘মদদগার’-এর দ্বারস্থ হয় তাঁর পরিবার।

কিন্তু সেখানেও রক্তের জোগানে ঘাটতি দেখা দিলে এগিয়ে আসেন ৫৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কনস্টেবল গোহিল শৈলেশ। রক্তদান করে ওই মহিলা ও তাঁর সদ্যজাত সন্তানের প্রাণ বাঁচান তিনি। পরে সিআরপির টুইটার হ্যান্ডলে গোটা ঘটনা তুলে ধরা হয়। ওই জওয়ান এবং সদ্যজাত শিশুটির ছবি পোস্ট করে লেখা হয়, ‘রক্তের সম্পর্ক গড়ে উঠল। সন্তান প্রসবের সময় রক্তের প্রয়োজন ছিল ২৫ বছরের এক কাশ্মীরি মহিলার। রক্তদান করে ওই মহিলা ও তাঁর সদ্যজাত সন্তানের প্রাণ বাঁচালেন ৫৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের কনস্টেবল গোহিল শৈলেশ। বাঁচালেন একটা গোটা পরিবারকেও।’

সিআরপি-র এই টুইট-ই ভাইরাল হয়। 

আরও পড়ুন: ৫ বছরে মোদী সরকার বাংলাকে শুধু বঞ্চনাই করেছে, গয়েশপুরে বললেন মমতা​

আরও পড়ুন: পর পর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কলম্বোর গির্জা-হোটেল, নিহত অন্তত ১৫০, জখম ৩০০​

মুহূর্তের মধ্যে সিআরপি-র পোস্টটি ভাইরাল হয়ে যায়। যার পর ওই জওয়ানকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন নেটিজেনরা।

২০১৭-র ১৬ জুন জম্মু-কাশ্মীরে ‘মদদগার’ হেল্পলাইন চালু করে সিআরপি, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে উপত্যকাবাসীর কাছে চিকিত্সা এবং ত্রাণ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যায়। আবহাওয়া, যানজট, কার্ফু সংক্রান্ত সবরকম প্রশ্নের উত্তরও দেওয়া হয় সেখান থেকে। শুধু তাই নয়, কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নানা সুযোগ সুবিধাও পাওয়া যায়।