দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্গ ধরে রাখল বামেরা। সভাপতি, সহ-সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক ছাত্র, সংসদের প্রতিটি পদেই জয়ী বাম সংগঠনগুলির জোট।

এ বার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে বামমনস্ক দলগুলি জোট করে লড়েছিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বিরুদ্ধে। অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, স্টুডেন্ট ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া, ডেমোক্র্যাটিক স্টুডেন্টস ফেডারেশন এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট ফেডারেশনের এই যুগ্ম লড়াই গেরুয়া শিবিরকে অনেকটাই পিছনে ফেলে দিয়েছিল। ভোটের ফল অনুমান করা গেলেও ফল ঘোষণা করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়। দুই ছাত্রনেতার আবেদনের ভিত্তিতে দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়েছিল জেএনইউ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করতে হবে ১৭ সেপ্টেম্বর।

সভাপতি পদের জন্যে মনোনীত বাম প্রার্থী ঐশী ঘোষ জয়ী হয়েছেন ২৩১৩টি ভোট পেয়ে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীএবিভিপির মনীষ জাঙ্গিড় পেয়েছেন ১১২৮টি ভোট। সহ-সভাপতি পদে লড়াই করা সাকেত মুন পেয়েছেন ৩৩৬৫টি ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদের দাবিদার বাম প্রার্থী সতীশচন্দ্র যাদবের ঝুলিতে রয়েছে ২৫১৮টি ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এবিভিপির শুভশ্রী পিএ পেয়েছেন ১৩৫৫টি ভোট। যুগ্ম সচিব পদে আসীন হতে চলেছেন মহম্মদ দানিশ। এবিভিপির প্রার্থীর থেকে প্রায় ১৮০০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: বারাসত আদালতেও আগাম জামিনের রক্ষাকবচ পেলেন না রাজীব কুমার

 

আরও পড়ুন: টিএমসিপির কৌশল নিয়েই ময়দানে এবিভিপি, কলেজে কলেজে ফের বাড়ছে সংঘর্ষ

এ বার জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৭.৯ শতাংশ। গত সাত বছরের তুলনায় ভোটদানে ছাত্রদের অংশগ্রহণ এই বছরে বেশি। জেএনইউতে বাম ছাত্রদের এই লড়াইয়ের সৌজন্যে এবার মুখে মুখে ফিরেছে  বাংলার মেয়ে ঐশী ঘোষ।দুর্গাপুরের মেয়ে ঐশীকে ইতিমধ্যে অনেকেই বলছেন কানহাইয়া কুমারের উত্তরসূরি। আবার তাঁর একটি ছবিকে ট্রোলের হাতিয়ার হিসেবেও বেছে নিয়েছিলেন বিরোধীরা। ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায় হাতে তাবিজ পরে রয়েছেন ঐশী। অবশ্য সে সব পেরিয়ে শেষ হাসি হাসছেন ঐশীরাই।