শুধু দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা সম্ভব নয়। হরিয়ানা এবং পঞ্জাবে অরবিন্দ কেজরীবালের দলের সঙ্গে জোট গড়ার প্রশ্নে কংগ্রেস নরম হওয়ার কোনও বার্তা না-দেওয়ায় আজ এই কথা জানালেন আপ নেতা তথা মণীশ সিসৌদিয়া। তাঁর বক্তব্য, দিল্লির সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি কংগ্রেসকে ছাড়ার অর্থ, বিজেপির হাতেই সেগুলিকে তুলে দেওয়া।

সিসৌদিয়া আজ বলেন, ‘‘কংগ্রেস দিল্লিতে প্রায় অর্ধেক আসন চেয়েছিল। কিন্তু এখানে ওদের তো উপস্থিতিই নেই। অথচ পঞ্জাবে আমাদের ২০ জন বিধায়ক এবং ৪ জন সাংসদ রয়েছেন। তা হলে কেন পঞ্জাবে কংগ্রেস জোট গড়ল না?’’ মনোনয়ন জমার সময়সীমা শেষ হচ্ছে মঙ্গলবার। সূত্রের খবর, দিল্লির
সাতটি আসনেই একা লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাহুল গাঁধীর দল। কংগ্রেসের এক নেতার কথায়, ‘‘আপের সঙ্গে আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে না। দিল্লি থেকে একাই লড়ব।’’ প্রার্থী নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, নয়াদিল্লি থেকে অজয় মাকেন, চাঁদনি চক থেকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত, পশ্চিম দিল্লি থেকে কুস্তিগির সুশীল কুমারকে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কেরলে আপের রাজ্য আহ্বায়ক সি আর নীলকন্দন সাংবাদিক বৈঠক ডেকে কংগ্রেসকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছিলেন। তাঁকে সাসপেন্ড করেছে দল। আপ নেতা সোমনাথ ভারতী বলেন, ‘‘দলের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই ওই সাংবাদিক বৈঠক করা হয়েছে।’’ যদিও সোমনাথ আজ জানান, কেরলে বাম জোটকে নিঃশর্ত সমর্থন করবে আপ। তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়ে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে সিপিএম নেতা নীলোৎপল বসু বলেন, ‘‘আমাদের মূল লক্ষ্য এনডিএ-কে হারানো, তাদের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও মেরুকরণ ছড়ানো বন্ধ করা।’’ প্রসঙ্গত, রাহুল নিজে কেরলে প্রার্থী হলেও জানিয়েছেন, তাঁর প্রতিপক্ষ গেরুয়া শিবির। তাই বামেদের বিরুদ্ধে কোনও নয়।

 দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯