বলিউড ও রাজনীতির মেলবন্ধন নতুন কিছু নয়। আর সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হতে চলেছেন মাধুরী দীক্ষিত? বিজেপির হয়ে আগামী লোকসভা নির্বাচনে লড়বেন ‘তেজাব’ নায়িকা। বিজেপি সূত্রের খবর, পুণে থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন মাধুরী।

চলতি বছরের জুন মাসেই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ দেখা করেছিলেন মাধুরীর সঙ্গে। দলেরই তরফে ‘সম্পর্ক ফর সমর্থন’ শীর্ষক প্রচারের অংশ হিসাবেই মাধুরীর সঙ্গে তখন কথা বলেন অমিত। মাধুরীর বাড়িতে বসেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের কথাও বলেন মাধুরীকে।

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ এক বিজেপি নেতা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে মাধুরী লড়তে পারেন। পুণে কেন্দ্রের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মাধুরীর নাম তালিকাতেও রয়েছে।

ওই নেতার কথায়, ‘‘মাধুরী দীক্ষিত ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাতে প্রার্থী হন, সেটাই দেখা হচ্ছে। পুণের আসনটিই তাঁর জন্য উপযুক্ত হবে।’’ অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েই মাধুরীর প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন: বিশ্বে দ্রুত উন্নয়নশীল শহরের তালিকায় প্রথম দশটি ভারতের

মাধুরী যদিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ২০১৪ সালে সৌমিক সেন পরিচালিত ‘গুলাব গ্যাং’ ছবিতে ‘রাজ্জো’-র ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন মাধুরী।

মাধুরীর বাড়িতে সেই সময় ছিলেন তাঁর স্বামী শ্রীরাম নেনেও। সঙ্গে অমিত শাহ। ফাইল চিত্র

(ইতিহাসের পাতায় আজকের তারিখ, দেখতে ক্লিক করুন — ফিরে দেখা এই দিন।)

ওই ছবিতে ‘রাজ্জো’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন মহিলাদের হয়ে একটা গোটা গ্রামের লড়াইয়ে, নারীশিক্ষার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করতে। এছাড়াও প্রকাশ ঝার ছবি ‘মৃত্যুদণ্ড’-তেও তাঁকে দেখা গিয়েছে একটি প্রতিবাদী আন্দোলনের মুখ হিসাবে। কেতকীর চরিত্রও অত্যন্ত লড়াকু ছিল সেই ছবিতে। তখন যদিও মাধুরী বলেছিলেন, রাজনীতির ময়দানে আসার ইচ্ছে তাঁর একেবারেই নেই। তবে পরবর্তীতে যে তিনি মত বদলেছেন, বিজেপি সূত্রের খবরে সেই আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছে।

 আরও পড়ুন: জেল থেকে গব্বরের ফোন প্রোমোটারকে, ‘৫ লাখ নেহি দিয়া তো, গোলি সে টপকা দেঙ্গে’