শুধু নোটিস সাধ্বীকে! কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ মায়াবতীর
গত সপ্তাহেই বিজেপিতে যোগ দেন মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা। কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহের বিরুদ্ধে ভোপাল থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।
mayawati

মায়াবতী। —ফাইল চিত্র।

এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুললেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সম্প্রতি বিজেপির ভোপালের প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞাকে নোটিস দিয়েছে কমিশন। আর তাতেই চটেছেন মায়াবতী। কমিশনের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, শুধু নোটিস ধরিয়ে কী হবে? সাধ্বীর মনোনয়ন বাতিল করা হল না কেন?  টুইটারে সাধ্বীকে ‘বিজেপি রত্ন’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

সোমবার সকালে নিজের টুইটার হ্যান্ডলে মায়াবতী লেখেন, ‘‘সংবাদমাধ্যমে সমালোচনা সত্ত্বেও নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করছে না নির্বাচন কমিশন, গণতান্ত্রিক দেশের পক্ষে যা অত্যন্ত দুশ্চিন্তার বিষয়। বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তাঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ কম নয়।’’

মায়া আরও বলেন, ‘‘মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্ত তথা ভোপালের বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা ধর্মযুদ্ধে নেমেছেন বলে জানিয়েছেন। এটাই বিজেপি-আরএসএস-এর আসল চেহারা, যা ক্রমশ প্রকাশ হচ্ছে। কিন্তুনির্বাচন কমিশন শুধুমাত্র নোটিস দিল কেন? বিজেপি রত্নের মনোনয়ন কেন বাতিল করা হল না?’’

আরও পড়ুন: ‘খান ইয়া বান’, ঔরঙ্গাবাদ জুড়ে ‘সুরক্ষা’র মায়াজাল​

আরও পড়ুন: ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ করলেন, ‘প্রচারের উত্তেজনা’য় মন্তব্য, দাবি রাহুলের

গত সপ্তাহেই বিজেপিতে যোগ দেন মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত সাধ্বী প্রজ্ঞা। কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহের বিরুদ্ধে ভোপাল থেকে তাঁকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। আর তার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছেন সাধ্বী। প্রথমেই ২৬/১১ মুম্বই হামলায় শহিদ, মুম্বইয়ের অপরাধ দমন শাখার প্রধান হেমন্ত কারকারেকে নিয়ে অসংবেদনশীল মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর শাপেই জঙ্গিদের হাতে কারকারের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন।

সেই নিয়ে বিতর্ক বাঁধলে, চাপে পড়ে যদিও ক্ষমা চেয়ে নেন। কিন্তু তার পরই ফের বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। বাবরি ভেঙে গর্বিত বোধ করেন বলে জানান। তাঁর মন্তব্যের নিন্দা করা তো দূর, বরং ভোপালে সাধ্বীকে দাঁড় করানো একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত বলে জানান বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সমালোচনার মুখে পড়ে সাধ্বীকে নোটিস পাঠালেও, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেনি নির্বাচন কমিশন। তাতেই ফের একবার নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন মায়াবতী-সহ বিরোধীরা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে ধমক খেয়ে সাম্প্রদায়িক মন্তব্যের জন্য মায়াবতী এবং যোগী আদিত্যনাথের নির্বাচনী প্রচারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বসায় কমিশন। জয়াপ্রদাকে নিয়ে কুমন্তব্য করায় তাদের কোপে পড়েন সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানও।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট

২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের ফল

  • সকলকে বলব ইভিএম পাহারা দিন। যাতে একটিও ইভিএম বদল না হয়।

  • author
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলনেত্রী

আপনার মত