প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্রে সাড়া ফেলল প্রিয়ঙ্কার রোড শো
কিছু দিন আগে বারাণসীর যে পথ দিয়ে প্রচার করেছিলেন মোদী, আজ প্রিয়ঙ্কার রোড শোর জন্য সেই পথকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল।
roadshow

বারাণসীর রোড শোয়ে প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। সঙ্গে ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী অজয় রাই এবং‌ ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বঘেল (ডান দিকে)। বুধবার। পিটিআই

এক সমর্থক সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন রুদ্রাক্ষের মালা। ভিড়ের মধ্যে নেত্রীর দিকে সেটি বাড়িয়ে দিলেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে সেই মালা গলায় পরে নিলেন প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরা। নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্র বারাণসীতে রোড শো করতে গিয়ে কখনও আবার ট্রাক থেকে নীচে নেমে এলেন রাজীব-কন্যা। পায়ে হেঁটে মিশে গেলেন জনতার সঙ্গে। সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, মুহুর্মুহু জয়ধ্বনি। তার মধ্যেই কংগ্রেসের এক সমর্থন জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলেন রাস্তায়। গাড়ি থেকে নেমে তাঁকে দেখতে ছুটলেন তিনি। শেষ পর্বের ভোটের চার দিন আগে এ ভাবেই উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে চাঙ্গা করার চেষ্টা চালিয়ে গেলেন প্রিয়ঙ্কা। 

পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব পাওয়া কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদকের এই জনসংযোগে দল কতটা চাঙ্গা হল, তা সময়ই বলবে। তবে আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কেন্দ্রে প্রিয়ঙ্কার রোড-শো ঘিরে কংগ্রেসের অনেক কর্মী এতটাই উত্তেজিত ছিলেন যে বিজেপির কয়েকজনের সঙ্গে হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়েন তাঁরা! রোড শো শুরু হয়েছিল বারাণসীর লঙ্কা গেট থেকে। কিছু ক্ষণ আগে থেকেই সেখানে ভিড় করেছিলেন কংগ্রেস কর্মীরা। ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। সেই সময়েই বিজেপির এক কর্মী প্রিয়ঙ্কা ও রবার্ট বঢরার নামে কুকথা বলতে থাকেন। তাতে উত্তেজিত হয়ে পড়েন কংগ্রেস কর্মীদের একাংশ। বিজেপির ওই কর্মীকে মারতে শুরু করেন। হইচই শুরু হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত বিজেপির কর্মীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

কিছু দিন আগে বারাণসীর যে পথ দিয়ে প্রচার করেছিলেন মোদী, আজ প্রিয়ঙ্কার রোড শোর জন্য সেই পথকেই বেছে নেওয়া হয়েছিল। পাঁচ কিলোমিটার পথের জায়গায় জায়গায় বিজেপি কর্মীরা প্রিয়ঙ্কাকে রাজনৈতিক খোঁচা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। অস্সী এলাকায় ‘নমো এগেন’ টি-শার্ট পরে অপেক্ষা করছিলেন জনা কুড়ি যুবক। নিরাপত্তার কারণেই তাঁদের সেই টি শার্ট খুলতে বাধ্য করায় প্রশাসন। প্রিয়ঙ্কার আজকের রোড শো ঘিরে কংগ্রেস কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রায় দু’ঘণ্টার রোড শো শেষ হয় কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের সামনে। প্রচার পর্বের শেষে সেই মন্দির দর্শনে যান প্রিয়ঙ্কা। আগামিকাল এই বারাণসীতেই যৌথ প্রচারে আসার কথা রয়েছে অখিলেশ-মায়াবতীর।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

বারাণসীতে মোদীর বিরুদ্ধে প্রচারে আসার আগে প্রিয়ঙ্কা এ দিন রায়বরেলীর কংগ্রেসি বিধায়কের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। জানান, বিষয়টি নিয়ে সর্বস্তরে প্রতিবাদ জানাবে কংগ্রেস।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত