বিদর্ভের ‘বধ্যভূমি’তে এখনও বেঁচে আত্মঘাতী তুলোচাষি রামদাস
নিজের জীবন দিয়ে সেই প্রথম বিদর্ভের কৃষকের অজানা আখ্যান বাইরের বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছিলেন রামদাস।

নাগপুর শহর থেকে প্রায় ১৮৫ কিলোমিটার দূরের গ্রামতেলাঙ্গটকলি। ১৯৯৮-এর ২১ জানুয়ারি এই গ্রামেই কীটনাশক খেয়ে মৃত্যুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তুলোচাষি রামদাস অম্বরওয়াড়।তিনি ও তাঁর মতো বিদর্ভের গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কৃষকের জন্যই ‘বধ্যভূমি’ শিরোপা পেয়েছিলতেলাঙ্গ টাকলি।

সব হারানোর বেদনার সঙ্গেই রামদাসের প্রতি কৃতজ্ঞ গ্রামের মানুষ। কারণ, নিজের জীবন দিয়ে সেই প্রথম বিদর্ভের কৃষকের অজানা আখ্যান বাইরের বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছিলেন রামদাস। তার পরেই বিদর্ভের করুণ ছবি দেখতে পায় তামাম দেশ।

তেলাঙ্গ টাকলি গ্রামে প্রায় ৪০০ ঘর। ভোটারের সংখ্যা হাজার চারেক। রামদাসের গ্রাম পড়ে যবতমাল লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে। এ বারেও এই কেন্দ্রে শিবসেনার হয়ে দাঁড়িয়েছেন ভাবনা পুন্ডলিকরাও গাওয়ালি। ২০০৯ এবং ২০১৪-য় এই কেন্দ্র থেকেই জেতেন তিনি। তাঁর বিপক্ষে কংগ্রেসের মানিকরাও গোবিন্দরাও ঠাকরে।

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের ফল

আপনার মত