কয়েক দিন আগেই কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, রাহুল গাঁধীর ‘ম্যায় নেহি হম’ স্লোগান চুরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রবিবার নিজের ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে সেই স্লোগানটি ব্যবহার করে মোদী বুঝিয়ে দিলেন সেটি তাঁরই। একই সঙ্গে ‘মন কি বাত’-এর বেশির ভাগ সময়ই ব্যয় করলেন সর্দার বল্লভভাই পটেলের গুণগান গেয়ে। রাজনীতিকদের মতে, মোদী বুঝিয়ে দিলেন, কংগ্রেস নেতা পটেলই তাঁর নির্বাচনী তুরুপের তাস।  

এ দিনের অনুষ্ঠানে পটেলকে ঐক্যের মূর্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর মতে দেশভাগের পরে ভারতকে ঐক্যবদ্ধ রাখার যাবতীয় কৃতিত্ব পটেলের। তাঁর সময় মতো হস্তক্ষেপেই জম্মু-কাশ্মীরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা আজ যে অখণ্ড ভারত দেখছি, তা শুধু মাত্র সর্দার পটেলের বিবেচনা এবং কৌশলগত জ্ঞানের ফল।’’ 

গুজরাতে তৈরি হচ্ছে সর্দার পটেলের ১৮২ মিটার উঁচু বিশ্বের উচ্চতম মূর্তি ‘স্ট্যাচু অব ইউনিটি’। ৩১ অক্টোবর জাতির উদ্দেশে সেই মূর্তি উৎসর্গ করবেন মোদী। তবে ৩১ অক্টোবর ইন্দিরা গাঁধীরও মৃত্যুদিন। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রীকেও এ দিন শ্রদ্ধা জানান মোদী। ২৭ অক্টোবর ‘ইনফ্যান্ট্রি ডে’ প্রসঙ্গেও এ দিন আনেন পটেলের কথা। প্রয়াত ফিল্ড মার্শাল মানেকশকে উদ্ধৃ়ত করে মোদী বলেন, ‘‘জম্মু-কাশ্মীরে সেনা অভিযানে দেরি হওয়ার জন্য পটেল বিরক্ত হয়েছিলেন। এর পরেই সেনা কাশ্মীরে অভিযান চালায়। এবং আমরা দেখেছি, আমাদের সেনা কতটা সফল হয়েছিল।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘১৯৪৭ সালে জানুয়ারিতে টাইম পত্রিকা বলেছিল, সর্দার পটেল এমন এক জন নেতা যিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারেন এবং দেশভাগের ক্ষত মুছে দিতে পারেন।’’