লোকসভার স্পিকার নির্বাচনের আগে প্রার্থীর নাম তৃণমূলকে জানায়নি মোদী সরকার। সংখ্যার শক্তি কি সংসদীয় সৌজন্যও ভুলিয়ে দিচ্ছে! এই প্রসঙ্গ তুলে আজ সরকার পক্ষকে বিঁধলেন তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার নির্বাচনে তৃণমূলের তরফে বলতে উঠে তুললেন কেন্দ্রের ‘দাদাগিরি’, ঘনঘন রাজ্যকে ‘অ্যাডভাইসরি’ পাঠানোর প্রসঙ্গ। এমনকি এই সব বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনার সুযোগ না-দেওয়া নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি।

সুদীপবাবুর বক্তব্য, কাকে স্পিকারের নাম গত কালই চূড়ান্ত কার হয়েছে। সেটা জানানোর রীতি থাকলেও কাল তা তৃণমূলকে জানানো হয়নি। আজ লোকসভায় পৌঁছে সরকারি ভাবে তাঁরা জানতে পারেন ওম বিড়লার নাম। স্পিকারের নামের প্রস্তাব সমর্থন করার জন্যও কোনও দলকে অনুরোধ করা হয়নি। সুদীপবাবু বলেন, ‘‘অতিরিক্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতা অনেক সময় সংসদের স্বাভাবিক কাজকর্মকে প্রভাবিত করে। সংসদ ঠিক ভাবে চলবে কি না তা অনেকটাই নির্ভর করে সরকার পক্ষের উপরে। আমি বিশ্বাস করি, সংসদ মূলত বিরোধীদের জন্য। তা হলেই গণতান্ত্রিক সংসদীয় কাজকর্ম আরও শক্তিশালী হয়।’’

স্পিকার নির্বাচন নিয়ে বলতে উঠে রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের আচরণেরও সমালোচনা করেন সুদীপ। তাঁর কথায়, ‘‘রাজ্য সরকারগুলিও মানুষের ভোটেই তৈরি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখছি, কেন্দ্র এমন আচরণ করছে, যেন তারা গোটা দেশেরই প্রশাসনিক দায়িত্বে। ঘনঘন রাজ্যকে নির্দেশিকা ও অ্যাডভাইসরি পাঠানো তাদের অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এবং এ সব বিষয় যখনই লোকসভার অধিবেশনে তোলার চেষ্টা হয়েছে, শাসক দল ছোট দলগুলিকে তাদের অভিমত প্রকাশ করতে দেয়নি।’’