ক্ষমতাসীন বিজেপিকেই মানুষ যে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে, তার কৃতিত্ব সরকারি আমলাদের দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

নতুন করে ক্ষমতায় আসার পরে সব মন্ত্রকের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে আজ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই ‘জনাদেশ’ স্থিতাবস্থা পাল্টাতে মানুষের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। মানুষ উন্নত জীবনযাত্রা চাইছেন। তাই সব মন্ত্রককে সাধারণ মানুষের ‘জীবনযাত্রা আরও সহজ করা’র দিকে নজর দিতে হবে। সচিবদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘হিট দ্য গ্রাউন্ড রানিং’। 

বুধবার নতুন সরকারের মন্ত্রী পরিষদের প্রথম বৈঠক। তার পরে রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজ। তার আগে মন্ত্রকের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে কাজের গতিপ্রকৃতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন মোদী। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে এই বৈঠকে অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহ, নির্মলা সীতারামন, জিতেন্দ্র সিংহরাও হাজির ছিলেন।

আজকের বৈঠক থেকে সচিবদের এক জোড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্যাবিনেট সচিব পি কে সিনহা বলেছেন, সচিবদের নিয়ে গোষ্ঠী তৈরি করে দু’টি বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। এক, প্রতিটি মন্ত্রকের পাঁচ বছরের পরিকল্পনা তৈরি হবে। যাতে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও মাইলফলক বলা থাকবে। দুই, প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে প্রতিটি মন্ত্রকে একটি প্রভাবশালী সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হবে। শুধু সচিব নয়, নিচুতলার অফিসারদের সঙ্গেও যে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি কথা বলবেন, তা মনে করিয়ে দিয়ে ক্যাবিনেট সচিব বলেছেন, গত পাঁচ বছরেও প্রধানমন্ত্রী সরাসরি ডিরেক্টর, উপসচিব স্তরের অফিসারদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

টানা আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে যে ভোট পড়েছে, তার কৃতিত্ব অবশ্যই আমলাদের যাওয়া উচিত। তাঁরা সরকারি প্রকল্প রূপায়ণে কঠিন পরিশ্রম করেছেন। এ বার মানুষের প্রত্যাশাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে। জনসংখ্যার বড় অংশই যে তরুণ, তার সুবিধা তুলতে হবে। অর্থনীতির বহর ৫ লক্ষ কোটি ডলারে নিয়ে যেতে সমস্ত দফতর, দেশের সব রাজ্যের সব জেলার ভূমিকা রয়েছে। ছোট ব্যবসায়ী, উদ্যোগপতিদের ব্যবসা সহজ করতে ‘ইজ় অব ডুয়িং বিজনেস’-এর নিরিখে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। এ বার মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে ‘ইজ় অব লিভিং’-এর দিকে নজর দিতে হবে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদেরYouTube Channel - এ।