• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

তৃণমূল প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিতে হল না প্রশান্তকে

Nitish Kumar and Prashant Kishor
নীতীশ কুমারের সঙ্গে প্রশান্ত কিশোর। পটনায়। ছবি: পিটিআই

Advertisement

তৃণমূলের ভোটকৌশল বাতলে দেওয়ার ভার নিয়েছে তাঁর সংস্থা। প্রশান্ত কিশোর দলের কাছে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দেবেন বলে গত কাল জানিয়েছিলেন নীতীশ কুমার। আজ কিন্তু দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে কোনও ব্যাখ্যাই দিলেন না জেডিইউ সহসভাপতি প্রশান্ত। তাঁর সঙ্গে কথা হলেও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও তৃণমূলের সঙ্গে কাজ করা নিয়ে প্রশান্তের কাছে সরাসরি কিছুই জানতে চাননি বলে দলীয় সূত্রের খবর। বিজেপি বিষয়টিকে ভাল ভাবে না-নিলেও তারা জেডিইউয়ের কাছে এ বিষয়ে সরাসরি কোনও ব্যাখ্যা চায়নি। 

জেডিইউ নেতারা আজ স্পষ্টই জানিয়ে দেন প্রশান্তের সংস্থা ‘ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’-র সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। প্রশান্তকে এ নিয়ে রাজনৈতিক ভাবে কিছু বলতে চাইছেন না তাঁরা। পেশাগত বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক নেতাকে প্রশ্ন করা যায় না বলে তাঁরা মনে করেন। 

পটনায় আজ জেডিইউয়ের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব কে সি ত্যাগী বলেন, “রাজনৈতিক ভাবে আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের পরাজয় হোক। কিন্তু প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার সঙ্গে জেডিইউয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। যখন তিনি অন্ধ্রপ্রদেশে জগন্মোহন রেড্ডির হয়ে কাজ করেছিলেন তখন কেন প্রশ্ন তোলা হয়নি?”

বৈঠকে সভাপতি নীতীশের পাশেই বসেছিলেন প্রশান্ত। তবে বলার সুযোগ পাননি। নীতীশ ছাড়াও দলের চার রাজ্যের সভাপতি এবং মহাসচিব ত্যাগী কর্মসমিতির বৈঠকে ভাষণ দেন। কেউই প্রশান্তের সংস্থার কাজকর্মের প্রসঙ্গ তোলেননি বৈঠকে। স্বাভাবিক ভাবেই কোনও ব্যাখ্যা দিতে হয়নি এই নির্বাচনী রণনীতিকারকে। প্রশান্ত বা তাঁর সহযোগীরাও এ নিয়ে কিছু বলতে চাননি সংবাদমাধ্যমে। 

তৃণমূলের হয়ে প্রশান্তের কাজ করার বিষয়টি ভাল চোখে দেখছে না বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় গত কালই বলেছেন, “প্রশান্ত যে কলেজের ছাত্র, সেই কলেজের অধ্যক্ষ অমিত শাহ।” ২০১২ এবং ২০১৪ সালে একসঙ্গে নির্বাচনী রণনীতি তৈরির কাজ করেছেন দু’জনে।’’ নীতীশও গত কাল জানিয়েছিলেন, কলকাতায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতার সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে দলের কাছে ব্যাখ্যা দেবেন প্রশান্ত। কিন্তু আজ বিকেল পর্যন্ত দলের বৈঠকে কিংবা সাংবাদিকদের সামনে নীতীশ কোনও কথাই বলেননি। স্বাভাবিক ভাবেই এ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশান্তের কাজকর্ম নিয়ে বিজেপির অসন্তোষকে আমল না দিয়ে তাঁর রাজনীতি ও পেশাকে আলাদা করে দেখাতে চাইছে জেডিইউ। যদিও দলের একটি অংশের বক্তব্য, নীতীশের সঙ্গে কথা হয়েছে প্রশান্তের। যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, নীতীশই নেবেন।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন