পেহলু খানের হত্যা, মুসলিমদের উপরে গো-রক্ষকদের ক্রমাগত হামলার জেরে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিল নরেন্দ্র মোদীর সরকার ও রাজস্থানে বসুন্ধরা রাজের সরকার। তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ ওঠে বারবার। আজ রায় দিতে গিয়েও তদন্তের খামতির কথা বলেছেন বিচারক সরিতা স্বামী। রাজস্থানে ক্ষমতায় এখন কংগ্রেস। পেহলু-হত্যায় ৬ অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পাওয়ায়  মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত ঘোষণা করেছেন, ‘‘অগস্টেই গণপিটুনির বিরুদ্ধে আইন করেছি আমরা। পেহলু খানের পরিবারকে সুবিচার দিতে আমরা দায়বদ্ধ। রাজ্য সরকার রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে যাবে।’’

রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে স্বরাষ্ট্র দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রাজীব স্বরূপও রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের কথা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়ে দেন। ক্ষুব্ধ পেহলুর ছেলে ইরশাদ খান। বলেছেন, ‘‘এই রায়ে সন্তুষ্ট নই। হাইকোর্টে যাব।’’ সরকারি আইনজীবী কাসিম খান বলেন, ‘‘আশা করছি উচ্চতর আদালতে সুবিচার মিলবে।’’   

রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দলনেতা গুলাবচাঁদ কাটারিয়া দু’বছর আগে ওই ঘটনার সময় ছিলেন বসুন্ধরা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর মতে, পেহলু-কাণ্ডে সরকার যা করার সবই করেছিল। কিন্তু কিছু লোক এমন ভাবে ঘটনাটাকে তুলে ধরেছিল, যেন বিজেপির সরকার এই ধরনের হত্যার পক্ষে। গুলাবচাঁদের কথায়, ‘‘রং চাপিয়ে গোটা দেশে শোরগোল তালা হয়েছিল।’’ যদিও বেসরকারি সূত্রের হিসেব, পেহলু হত্যার দু’বছর আগে থেকে এমন অন্তত ১১০টি ঘটনা ঘটেছে দেশে। মৃত্যু হয়েছে ৪৩ জনের।