গুয়াহাটিতে গ্রেনেড বিস্ফোরণে এক শিশু ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ান-সহ ৯ জন জখম হলেন। এক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আজ রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ জু রোডে, সেন্ট্রাল মলের সামনে বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণস্থলের অদূরেই অসম পুলিশের স্থায়ী চেক পোস্ট রয়েছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, একটি এসইউভি থেকে গ্রেনেডটি ছোড়া হয়েছিল। পুলিশের সন্দেহ, জঙ্গিরা পুলিশ ও আধা সেনাকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটাতে চাইলেও, পালাতে পারবে না বুঝে আগেই গ্রেনেডটি ছুড়ে দেয়। 

মায়ানমারে ঘাঁটি উৎখাত হওয়ার পরে আলফা (স্বাধীন) শক্তিহীন হয়ে পড়েছে বলে বলা হচ্ছিল। পুলিশের ধারণা, শক্তি দেখাতেই এই কাণ্ড করল আলফা। রাতে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করে আলফা সেনাধ্যক্ষ পরেশ বরুয়া দাবি করেন, ‘‘সিআরপিএফকে নিশানা করে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল।’’ 

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার উদ্ধার করেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দোষীদের অবিলম্বে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন।