মাঝে মধ্যে পেটে ব্যথা হত তাঁর, যাকে তিনি অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের ব্যাথা মনে করে অগ্রাহ্য করে গিয়েছিলেন বছরের পর বছর। প্রচুর ওষুধ খেয়েছেন। কিন্তু ব্যথা উত্তরোত্তর বাড়তে থাকায় শেষে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন নাগপুরের বছর বাহান্নর এক মহিলা।

সিটি স্ক্যান করে দেখা যায়, পাথরের মতো কোনও একটি বস্তু রয়েছে তাঁর পেটে। ল্যাপ্রোস্কপির পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। অস্ত্রোপচারের পর একটি মৃত শিশু বের করেন চিকিত্সকরা। জানা গিয়েছে, ৯-১০ মাস নয়, এই গর্ভাবস্থার মেয়াদ ছিল টানা ১৫ বছর! তার পরেই ভূমিষ্ঠ হল এই ‘স্টোন বেবি’।

আরও পড়ুন: সাইক্লোন ‘ওখি’র দাপটে মৃত ৮

ঘরোয়া হিংসায় শীর্ষে বাংলাই

ওই মহিলা চিকিত্সকদের জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। ২০০০ সালে প্রথম সন্তান হয় তাঁর। ২০০২ সালে ফের গর্ভবতী হন, তবে তিনি গর্ভপাত করিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। চিকিত্সকদের ধারণা সেই গর্ভপাত সঠিক ভাবে না হওয়ায় কিছু অংশ রয়ে গিয়েছিল মহিলার পেটে যা ১৫ বছর অস্ত্রোপচারের পর বেরল।