এ বার লোকসভায় জিয়ো বিতর্ক। আজ লোকসভার প্রশ্নোত্তর পর্বের প্রথম প্রশ্নেই তৃণমূল সাংসদ সুগত বসু নাম না করে জানতে চান, জিয়ো প্রতিষ্ঠানকে উৎকর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা কেন দেওয়া হল। ব্যাখ্যা দেন কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর। সুগতবাবুর পরে কংগ্রেস সাংসদ কে সি বেণুগোপালও একই প্রশ্নে জবাবদিহি চেয়ে শাসক শিবিরকে অস্বস্তিতে ফেলে দেন।

আজ মূল প্রশ্নটি ইউজিসি বাতিল করা নিয়ে হলেও, সুগতবাবু জাভড়েকরের কাছে জানতে চান, ‘‘খাতায়-কলমে রয়েছে এমন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উৎকর্ষের মর্যাদা দিয়েছে কেন্দ্র। শিক্ষামন্ত্রী কি মনে করেন, দেশের একটিও কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় ওই তকমা পাওয়ার যোগ্য নয়?’’ জাভড়েকর বলেন, ‘‘গ্রিনফিল্ড বিভাগে ওই প্রতিষ্ঠানকে উৎকর্ষের তকমা দেওয়ার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। কারণ, ওই প্রতিষ্ঠান যে পরিকল্পনা জমা দিয়েছে, তা দেখে কমিটির মনে হয়েছে যে তাদের বিশ্বসেরা হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে।’’ কিন্তু ওই তালিকায় কোনও কেন্দ্রীয় বা রাজ্যস্তরের বিশ্ববিদ্যালয় কেন স্থান পেল না তা নিয়ে স্পষ্ট যুক্তি দিতে পারেননি জাভড়েকর।

 ইউজিসি বাতিল করে উচ্চ শিক্ষা কমিশন গঠন করার পক্ষে জাভড়েকরের যুক্তি, ‘‘১৯৫৬ সালে যখন ইউজিসি তৈরি হয়, তখন দেশে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৫০০ কলেজ এবং দু’লক্ষ পড়ুয়া ছিল। এখন দেশে ৯০০টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪০ হাজার কলেজে ৩.৫৪ কোটি ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনো করেন। সেই কারণে কমিশন গঠন করা হচ্ছে।’’