তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বাতিল হওয়া ৬৬এ ধারায় গ্রেফতারি নিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্টের তোপের মুখে পড়ল কেন্দ্র। যদি কোনও প্রশাসনিক কর্তা বাতিল হওয়া ধারায় গ্রেফতারির অনুমোদন দিয়ে থাকেন তবে তাঁকে জেলে পোরা হবে বলে জানায় বিচারপতি আর এফ নরিম্যানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। কেন্দ্রকে বিষয়টি নিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে হবে। 

‘আপত্তিকর’ বিষয়বস্তু পোস্ট করা সংক্রান্ত ৬৬এ ধারা নিয়ে বাগ্‌স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলনকারীদের আপত্তি ছিল দীর্ঘদিন ধরেই। মহারাষ্ট্রে কার্টুনিস্ট অসীম ত্রিবেদী, পশ্চিমবঙ্গে অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র এই ধারায় গ্রেফতার হওয়ার পরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। বালসাহেব ঠাকরের মৃত্যুর পরে মুম্বই কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট করেন মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা শাহিন ধাদা নামে এক তরুণী। সেই পোস্ট ‘লাইক’ করেন তাঁর বান্ধবী রিণু শ্রীনিবাসন। শিবসেনা নেতাদের অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬এ ধারায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। এর পরে ৬৬এ ধারার সংশোধন চেয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা করেন আইনের ছাত্রী শ্রেয়া সিঙ্ঘল। ২০১৫ সালে শীর্ষ আদালত জানায়, ওই ধারা অসাংবিধানিক।

সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা এক আবেদন এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানায়, ওই বাতিল হওয়া ধারায় গ্রেফতারি চলছে। অন্তত ২২ জনের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানায় তারা। বেঞ্চের মতে, ‘‘অভিযোগ সত্য হলে পরিস্থিতি গুরুতর। কঠোর পদক্ষেপ করব।’’

সংবাদ সংস্থা