• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ভিভিপ্যাট নিয়ে নোটিস কোর্টের

Supreme Court
ছবি: সংগৃহীত।

নির্বাচনে ইভিএমের সঙ্গেই যখন কাকে ভোট দেওয়া হয়েছে সেই স্লিপ বেরোনোরও ব্যবস্থা রয়েছে, তখন ভোট গোনার কাজে কেন তা ব্যবহার করা হবে না, তা কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।

উত্তরপ্রদেশে বিজেপির জয়ের পরেই ইভিএমের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিরোধীরা। অভিযোগ ওঠে, ইভিএমে কারচুপি করে জিতেছে বিজেপি। তাই হয় পুরনো ব্যালট প্রথা, না হলে নিদেনপক্ষে ভিভিপিএটি (ভিভিপ্যাট) যন্ত্র বসানোর দাবি ওঠে। যে যন্ত্র ভোটারকে দেখিয়ে দেয়, তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন এবং স্লিপে সেই তথ্য সংরক্ষিতও থাকে। কমিশনের যুক্তি ছিল, যদি গণনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়, সে ক্ষেত্রে ইভিএমে পড়া ভোট ও ভিভিপিএটি স্লিপের মধ্যে গণনা করে বিতর্ক মেটানো সম্ভব। ইভিএম ও ভিভিপ্যাট-এর মধ্যে যে কোনও পার্থক্য থাকে না, তা প্রমাণে চলতি গুজরাত বিধানসভার প্রতিটি আসনের যে কোনও একটি পোলিং বুথে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট-স্লিপের ভোটসংখ্যা গোনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুরাতের জনচেতনা পার্টির নেতা মনুভাই চাভাদা। তিনি প্রতিটি পোলিং বুথেই ইভিএমে পড়া ভোট ও ভিভিপ্যাট-স্লিপের সংখ্যা যাতে গোনা হয়, সেই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছেন। কোনও বুথে ভিভিপ্যাট-স্লিপ গোনার দাবি উঠলে রিটার্নিং অফিসারের তা খারিজ করার অধিকার থাকে। সেই নিয়মটিও বাতিল করার দাবিতে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন মনুভাই।

আজ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটি উঠলে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের অবস্থান জানতে চায় আদালত। যদিও কমিশনের পক্ষ থেকে ঘরোয়া ভাবে বলা হয়েছে, কোথাও বিতর্ক হলে ভিভিপ্যাট-স্লিপ ব্যবহার হওয়ার কথা। তা না হলে সব বুথেই যদি ভিভিপ্যাট খুলে গুনতে হয়, তা হলে বিষয়টি সেই পুরনো ব্যালট প্রথাতেই ফিরে যাওয়া হবে। সেটা মোটেই কাম্য নয় নির্বাচন কমিশনের।  

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন