বিশেষ মর্যাদা লোপের সময়ে জম্মু-কাশ্মীরে যোগাযোগ ও অন্য ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি নিয়ে সরকারি নির্দেশ দেখতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। সেই সঙ্গে এ দিন কাশ্মীর নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যকে ভর্ৎসনাও করেছে বিচারপতি এন ভি রামানার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

কাশ্মীরে নিষেধাজ্ঞা জারি ও ব্যাপক ধরপাকড়ের একাধিক মামলার এ দিন শুনানি হয় বিচারপতি রামানার বেঞ্চে।  তার মধ্যে ছিল কাশ্মীরি ব্যবসায়ী মুবিন আহমেদ শাহকে আটক করার বিরুদ্ধে আর্জিও। মুবিনের মালয়েশিয়ায় ব্যবসা রয়েছে। ওই ব্যবসায়ীকে আটক করার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তাঁর স্ত্রী আসিফা।

আসিফার আর্জির প্রেক্ষিতে কেন জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন তাদের বক্তব্য জানায়নি তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতিরা। সরকারের আইনজীবী তুষার মেহতা বলেন, ‘‘এই বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের চাপে তা সম্ভব হয়নি।’’ এর পরে ক্ষুব্ধ বিচারপতিরা বলেন, ‘‘যা বলবেন মেনে নেব, এটা ধরে নেবেন না।’’ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সব নির্দেশ আদালতে পেশ করা উচিত বলে সওয়াল করেন আবেদনকারীদের আইনজীবীরা। এর পরেই বিচারপতিরা বলেন, ‘‘ওই নির্দেশ পেশ করা হয়নি কেন? কোনও উদ্দেশ্য আছে কি?’’ তুষার মেহতা জানান, কেবলমাত্র বিচারপতিদের দেখার জন্য প্রশাসনিক নির্দেশগুলি পেশ করা হবে। ২৫ অক্টোবর ফের শুনানি হবে।

অন্য দিকে, শ্রীনগরে গত কাল বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে ধৃত মহিলা বিক্ষোভকারীরা এ দিন জািমন পেয়েছেন। কিন্তু মুক্তির পরে তাঁদের মুখ কার্যত বন্ধ। ফারুক আবদুল্লার বোন সাফিয়া কেবল তাঁর হাতে জেল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ছাপ দেখিয়েছেন। প্রাক্তন বিচারপতি বশির খানের স্ত্রী হাওয়া বশিরের কথায়, ‘‘আমাদের যা বলার বলেছি।’’ বিক্ষোভকারীদের কৌঁসুলির দাবি, মুখ না খোলার মুচলেকা দিয়েছেন সাফিয়ারা।