মৃত্যুর ২ বছর পর জয়ললিতার মৃত্যু ঘিরে দুই আমলার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন তামিলনাড়ুর আইনমন্ত্রী সিভি শানমুগম। জয়ললিতার মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

৫ ডিসেম্বর, ২০১৬ সালে জয়ললিতা মারা যান। তার পরের বছরই বিচারক অরুমুগাস্বামীর অধীনেএডিএমকে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। সম্প্রতি সেই কমিশন রিপোর্ট দিয়েছে। আইন মন্ত্রীর দাবি, সেই রিপোর্টে স্পষ্ট, জয়ললিতার চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে চেন্নাইয়ের অ্যাপলো হাসপাতাল (এই হাসপাতালেই জয়ললিতা চিকিৎসাধীন ছিলেন)-র সঙ্গে শশিকলার একটা গোপন চুক্তি ছিল।

আইনমন্ত্রীর অভিযোগ, হাসপাতালের পক্ষ থেকে জয়ললিতার অ্যাঞ্জিওগ্রাম করাতে বলা হয়। কিন্তু তা সঠিক সময়ে করানো হয়নি। তার উপর চিকিৎসার জন্য জয়ললিতাকে বিদেশে উড়িয়ে নিয়ে যেতে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সও তৈরি ছিল। সেখানেও বাধা দেওয়া হয়। আর এসব বিষয় সামনে রেখেই চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন তিনি। নতুন করে তদন্তের দাবি তুলেছেন।

আরও পড়ুন: দেশভক্তির প্রমাণ চাই স্কুলেও, হাজিরা দিতে ইয়েস স্যর নয়, বলতে হবে ‘জয় হিন্দ’

জয়ললিতার মৃত্যুর জন্য তিনি মূলত দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। প্রথম জন হলেন স্বাস্থ্য সচিব রাধাকৃষ্ণন। তাঁর অভিযোগ, রাধাকৃষ্ণনই মূলত তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে বাধা দেন। আর দ্বিতীয় জন হলেন মুখ্য সচিব পিএস রামা মোহন রাও। জয়ললিতা যখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে সময় পিএস রামা ভুল তথ্য জানিয়েছিলেন, তাঁর অভিযোগ।

আরও পড়ুন: ‘আগে আমার সম্প্রদায়, তার পরে জনগণের কাজ করব’! বিতর্কিত মন্তব্য রাজস্থানের মন্ত্রীর

যদিও আইনমন্ত্রী তদন্ত কমিশনের যে রিপোর্টের কথা তুলে ধরেছেন তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।