তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝামেলা, পরিবারে ভাইয়ে-ভাইয়ে লড়াই সব কিছুর জন্য লালুপ্রসাদের বড় মেয়ে মিসা ভারতীকেই দুষলেন তাঁর বউমা ঐশ্বর্য। 

গতকাল পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে যায় যে এই প্রথম সংবাদমাধ্যমের সামনে শ্বশুরবাড়ি নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেন তেজপ্রতাপ। রাবড়ীদেবীর ১০ নম্বর সার্কুলার রোডের বাড়ির মূল অংশের বাইরে, নিজের বাবা-মাকে পাশে নিয়ে ঐশ্বর্য বলেন, তেজপ্রতাপের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক হয়ে যাবে, এই আশায় গত তিন মাস ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই বেশি সময় কাটান। কিন্তু ক্রমশই সহ্যের সীমা পার হয়ে যাচ্ছে। তাঁকে রান্নাঘরেও ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তালাবন্ধ করে রান্নাঘরে তাঁর প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

পুরো ব্যাপারটির ভিডিয়ো তুলতে গিয়ে তিনি শাশুড়ি রাবড়ীদেবীর নিরাপত্তারক্ষীদের তাড়া খেয়ে মূল বাংলোর বাইরে এসে বাবা, আরজেডি নেতা চন্দ্রিকা রায়কে ফোন করেন। তাঁর ফোন পেয়ে মহিলা হেল্পলাইনের এক অফিসারও সেখানে আসেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, পরিবারের রাশ নিজের হাতে রাখতে মিসা-ই চাল চালতে থাকেন। আর মিসা থাকলে শাশুড়িও সব কিছু তাঁর উপরেই ছেড়ে দেন। ঐশ্বর্য বা রায় পরিবারকে মূল বাংলোয় ঢুকতেও দেওয়া হয়নি এ দিন। চন্দ্রিকা রায়কে বলতে শোনা যায়, ‘‘এমন জানলে এখানে মেয়ের বিয়েই দিতাম না।’’