রাজস্বের ঘাটতি মেটাতে এ বার‘শত্রুর সম্পত্তি’ বাজেয়াপ্ত করে বিক্রির সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। সরকারি হিসেবে জমি, বাড়ি এবং শেয়ার-সহ সেই সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা।

‘শত্রুর সম্পত্তি’ কেন?

এক সময় ভারতীয় ছিলেন।১৯৪৭-এ দেশ ভাগের পর সে রকম অনেক মানুষই পাকিস্তান ও চিনে চলে গিয়েছিলেন।  কিন্তু তাঁদের জমি, বাড়ি এবং শেয়ারের মতো সম্পত্তি এখনও এ দেশে রয়ে গিয়েছে। সেই সম্পত্তিগুলোকেই ‘শত্রুর সম্পত্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলোই বাছাই করে এ বার  বিক্রির বন্দোবস্ত করল ভারত সরকার।

গত বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এই সম্পত্তি বিক্রির অনুমোদন দেয়। বর্তমানে চিন ও পাকিস্তানে বসবাসকারী এমন ২০,২২৩ জন শোয়ারহোল্ডারদের শেয়ার বিক্রিরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।আর এ সবই করা হচ্ছে ১৯৬৮ সালের এনিমি প্রপার্টি অ্যাক্ট-এর অধীনে।

আরও পড়ুন: বাগুইআটিতে বাইক থেকে চলন্ত বাসে উড়ে এল চকলেট বোমা!

যুগের পর যুগ ধরে এই ধরনের সম্পত্তিগুলো পড়েছিল। এনিমি প্রপার্টি অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে সেগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে সরকার। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সরকারের এক সূত্র বলছে, জনকল্যাণ প্রকল্পের জন্য তহবিলের দরকার। এই সম্পত্তি বিক্রি করে সেই ঘাটতি মেটানো সম্ভব হবে। আইনমন্ত্রী রবিশঙ্করও প্রসাদের গলাতেও একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি বলেন, “এ ধরনের সম্পত্তি বিক্রি করে দেশবাসীর উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণের কাজে লাগানো হবে।”

আরও পড়ুন: স্কাইওয়াকে থুতু, ধুতে হল অভিযুক্তকে

 

(কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, গুজরাত থেকে মণিপুর - দেশের সব রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবর জানতে আমাদেরদেশবিভাগে ক্লিক করুন।)