উৎসবের কারণে সব রাস্তা বন্ধ। ঘুরপথে যাওয়াও সম্ভব নয়।  নব্বই হাজার টাকা দিতে হবে, তবেই অন্য গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এক মার্কিন পর্যটককে এমনটাই বুঝিয়েছিলেন দিল্লির এক ট্যাক্সি ড্রাইভার। তবে  শেষরক্ষা হল না। বিদেশি পর্যটককে প্রতারণার দায়ে আপাতত দিল্লি পুলিশের জালে ওই ট্যাক্সি ড্রাইভার।

গত ১৮ অক্টোবর দিল্লিতে পা রাখেন মার্কিন নাগরিক জর্জ ভ্যানমিটার। তাঁকে ওই ট্যাক্সিচালক এবং তাঁর সঙ্গীসাথীরা বোঝান গোটা শহরে উৎসবের কারণে  যানচলাচল বন্ধ। তাঁকে একটি ভুয়ো ট্যাভেল এজেন্সিতেও নিয়ে যান।

দিল্লি পুলিশের ডেপুটি কমিশনার এইচ সিঙ্ঘল সংবাদমাধ্যমকে গোটা ঘটনার বর্ণনা দেন। তাঁর কথায়, "এই ব্যক্তিকে রীতিমতো ঘোল খাওয়ানো হয়েছে। আগেভাগেই পাহাড়গঞ্জে একটি হোটেল বুক করেছিলেন তিনি। সেই জায়গায় নিয়ে যেতে অনুরোধ করলে ট্যাক্সিচালক তাঁকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে যান যেখানে পুলিশ রাস্তা আটকে রেখেছে। এই ব্যক্তিকে তখন বোঝানো হয়, গোটা ট্যুর প্ল্যানটাই বদলাতে হব।"

আরও পড়ুনঃট্রেনে ট্রেনে লোকগান গেয়ে ভিক্ষা, প্রিয়ঙ্কার ভাইরাল ভিডিয়োতে মজেছে নেটদুনিয়া
আরও পড়ুনঃবঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, কালীপুজো পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস

অভিযুক্ত ট্যাক্সিচালকের যুক্তি একবারে মেনে নিতে চাননি জর্জ। অন্য একটি অটো ড্রাইভারের কাছে গেলে তিনিও একই কথা বলেন। পুলিশের দাবি, এরপর একটি ভুয়ো সংস্থা থেকে আগ্রা ও জয়পুর যাওয়ার হোটেল বুক করতে বাধ্য করা হয় ওই ব্যক্তিকে। বিনিময়ে নেওয়া হয় মোট ৯০ হাজার টাকা।

আগ্রা থেকে পাহাড়গঞ্জের ওই হোটেলে ফোন করে ক্ষতিপূরণ চান জর্জ। হোটেল কর্তৃপক্ষই তাঁকে জানান দিল্লিতে এখন কোনও উৎসব নেই। তখন তিনি গোটা ঘটনা বুঝতে পারেন। আগ্রাতেই থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান জর্জ। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই আসরে নামে দিল্লি পুলিশ। ধরা পড়েন ওই প্রতারক ট্যাক্সিচালক।