• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জবাবি টুইটে বন্ধু ট্রাম্পের ‘ভালবাসা’

DT
ফাইল চিত্র।

ভারতকে ‘ভালবাসে’ আমেরিকা! মার্কিন প্রেসিডেন্ট টুইট করে এই ভালবাসার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। আমেরিকার ২৪৪ তম স্বাধীনতা দিবসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং আমেরিকাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদী। গত কালকের সেই টুইটের জবাবে ট্রাম্পের বক্তব্য, ‘ধন্যবাদ বন্ধু! ভারতকে ভালবাসে আমেরিকা।‘

গত কয়েক মাসে একাধিক বার ট্রাম্প এবং মোদীর ‘ব্যক্তিগত রসায়নের’ সাক্ষী থেকেছেন দু দেশের মানুষ। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ভারত থেকে ওষুধ পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ট্রাম্প নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে ‘প্রত্যাঘাতের’ হুমকি দিয়ে বসায় সুর কাটে। তার পরে এইচওয়ানবি-সহ আমেরিকায় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ভিসা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের পর কিছুটা হলেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কে। গত কাল ভারতের প্রতি ভালবাসার বার্তা দিয়ে ট্রাম্প কিছুটা ক্ষত মেরামত করতে চাইলেন কি না, সে প্রশ্ন উঠেছে। নভেম্বরে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মন জয় করাটাও তাঁর কৌশলের মধ্যে রয়েছে। পাশাপাশি চিন-বিরোধী যে অক্ষ তৈরি করতে সক্রিয় ওয়াশিংটন, সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় শক্তি ভারতকে সঙ্গে পাওয়াটাও জরুরি তাঁর কাছে।

সূত্রের খবর, গালওয়ান উপত্যকায় রক্তপাতের পরে মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেয়ো ফোনে কথা বলেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। সব রকম সঙ্কটে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন পম্পেয়ো। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের মত, এই ফোনের বিষয়টি কৌশলগত কারণেই প্রকাশ্যে আনা হয়নি। ভারত এবং চিন সামরিক ও কূটনৈতিক দর কষাকষির মধ্যে রয়েছে। সেটি কোনও ভাবে ভেস্তে যাক, চায় না দিল্লি। ১৫ জুন গালওয়ানে রক্তপাতের পর ট্রাম্প মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেন। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়েছে সাউথ ব্লক। তবে কূটনীতিকদের মতে, গত দশ দিন ধরে আমেরিকা অনেকটাই সতর্ক এবং সাবধানী প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। পম্পেয়ো রয়েছেন তার নেতৃত্বে। চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানিয়েছে আমেরিকা।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন