লাদাখে মারপিটে জড়িয়েছিল ভারত আর চিনের সেনাবাহিনী। ক’দিন আগের সেই খবর শনিবার স্বীকার করে ভারত সরকার। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার কবুল করেছিলেন, দিন চারেক আগে লাদাখের প্যাংগং হ্রদ এলাকায় ভারত ও চিনা সেনাবাহিনীর মধ্যে ‘কিছু একটা হয়েছিল’। এর বেশি অবশ্য আর কিছু জানাননি তিনি। আর আজই সেই ‘কিছু একটা’র ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও, সেনাবাহিনীর তরফে ওই ভিডিওটি নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

আরও পড়ুন: লাদাখের চিন সীমান্তে ‘কিছু একটা’ ঘটেছিল, মানল বিদেশমন্ত্রক

ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ভারত এবং চিন- দু’পক্ষের পুলিশ ও সেনাকর্মীরা একে অপরের সঙ্গে হাতাহাতি, লাথালাথি, এমনকী পাথর ছোড়াছুড়িও করেছে। মারপিটে জড়িয়ে পড়েছিলেন দু’দিকের জনা পঞ্চাশেক  পুলিশ ও সেনা।

 ভারত এবং চিন- দু’পক্ষের পুলিশ ও সেনাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির সেই ভিডিও

 

সরকার বা সেনাবাহিনীর তরফে এই ভিডিও নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করা না হলেও, ঘটনাটি লাদাখের প্যাংগং হ্রদের বলে নিশ্চিত করেছেন এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা কম্যান্ডার। এক সময়ে জম্মু ও কাশ্মীরে কর্তব্যরত ওই সেনা কম্যান্ডার ‘হিন্দুস্থান টাইমস’কে বলেন, ‘‘এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে ওটি প্যাংগং এলাকা। আর যাঁদের মধ্যে হাতাহাতি হচ্ছে, তাঁরা ভারতীয় এবং চিনা সেনা-পুলিশ কর্মী।’’

আরও পড়ুন: ডোকলাম বিতর্কে দিল্লির পাশে জাপান

গত কালই রবীশ কুমার জানিয়েছিলেন, ডোকলামে দ্রুত শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে দু’দেশের সেনাবাহিনীর আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাবে। পাশাপাশি তিনি মেনে নেন, ‘‘এমন ঘটনা সীমান্তে শান্তি ও সুস্থিতির পক্ষে ভাল নয়। এতে দু’টি দেশের স্বার্থই ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।’’