জমি কেলেঙ্কারি মামলায় ডির জেরায় তিনি জেরবার। তাঁর মাকে পর্যন্ত রেহাই দেওয়া হয়নি। তা নিয়ে ফুঁসে উঠলেন রবার্ট বঢরা। সোমবারই মা মৌরিনকে নিয়ে জয়পুরে ইডির দফতরে হাজির হন তিনি। এ দিন সকালে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরদের সামনে হাজিরা দেন তাঁরা। তার আগে সকালে, ফেসবুকে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করার অভিযোগ তোলেন বরার্ট।

নিজের ফেসবুক পোস্টে রবার্ট বঢরা লেখেন, ‘৭৫ বছরের মাকে নিয়ে জয়পুরে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে যাচ্ছি। গাড়ি দুর্ঘটনায় মেয়েকে হারিয়েছেন আমার মা। ডায়বেটিসের জেরে অকালে হারিয়েছেন স্বামী-পুত্রকেও। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া এমন এক মহিলাকে পর্যন্ত নিষ্কৃতি দেওয়া হয়নি। প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এই সরকার এত নীচে কীভাবে নামতে পারে, তা এখনও বোধগম্য হচ্ছে না আমার।’

পরিবারে তিন-তিনটি মৃত্যুর পর মাকে কাছছাড়া করতে চাননি তিনি। বরং তাঁর যত্ন নিতে চেয়েছিলেন। তাই বাড়ি থেকে মাকে নিজের অফিসে টেনে আনেন তিনি। শুধু এইটুকুই অপরাধ ছিল তাঁর। তার জেরেই আজ তাঁর মাকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন রবার্ট।  তাঁর কথায়, ‘এর আগে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তিনদিন ধরে ম্যারাথন জেরা করা হয় আমাকে। অনিয়ম হয়ে থাকলে নিশ্চয়ই জানতে পারতেন গোয়েন্দারা। তাঁরা কিছু পেলেন না, অথচ অনিয়ম হয়েছে বলে দাবি করছে সরকার। তাই যদি হয়, তাহলে গত ৪ বছর ৮ মাস ধরে কী করছিল রা? আনুষ্ঠানিকভাবে লোকসভা নির্বাচন শুরু হতে বাকি মাসখানেক। ঠিক তার আগেই আমাকে ডাকার কথা মনে হল ওদের। সাধারণ মানুষ কি এতই বোকা, যে ওদের কারসাজি ধরতে পারবেন না?’

রবার্ট বঢরার ফেসবুক পোস্ট।

আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর গুজব ছড়ানো হচ্ছে রাজ্যের কিছু জায়গায়, সতর্ক থাকুন, এ সবই মিথ্যে

আরও পড়ুন: ‘বিজেপি কি ভয় পেয়েছে?’ লখনউ বিমানবন্দরে বাধা পেয়ে প্রশ্ন অখিলেশের​

কিছু লুকনোর নেই তাঁর। তাই একটানা জেরার মুখে বসে থাকতে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন রবার্ট বঢরা। সেই সঙ্গে ‘সময়ই কথা বলবে’ বলে সতর্ক করেছেন মোদী সরকারকে। সোমবার স্ত্রী প্রিয়ঙ্কাকে নিয়ে ফেসবুকে আবেগপ্রবণ পোস্ট দিয়েছিলেন রবার্ট। তাতেও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছিলেন। বর্তমানে চারপাশের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেছিলেন। 

(ভোটের খবর, জোটের খবর, নোটের খবর, লুটের খবর- দেশে যা ঘটছে তার সেরা বাছাই পেতে নজর রাখুন আমাদের দেশ বিভাগে।)