মধ্যপ্রদেশ আবগারি দফতরের এক অফিসার মার খেলেন দুই মহিলার হাতে। স্থানীয়রা মোবাইলের ক্যামেরায় সেই ঘটনা রেকর্ড করেন। মারধরের এই ভিডিয়ো পরে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেই ভিডিয়োভাইরাল হতেও সময় নেয়নি।

মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বর এলাকায় শুক্রবার তল্লাশি চালাতে যান আবগারি দফতরের অফিসার, কর্মীরা। আবগারি দফতরের কাছে খবর ছিল, ওই এলাকারএকটি বাড়ি থেকে অবৈধ মদ বিক্রি করা হচ্ছিল। কিন্তু রেড করার সময় এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে স্থানীয় এক কিশোরীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। তারপরই তাঁকে মারধর শুরু করেন দুই মহিলা।

ভিডিয়োতে দেখা যায়, প্রথমে একটি পাঁচিল ঘেরা বাড়ির উঠোনে এক অফিসারের সঙ্গে বচসা শুরু হয় স্থানীয়দের। তারপরই এক মহিলা ওই অফিসারকে কলার ধরে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন। অফিসার পালাতে গেলে তাঁকে রাস্তায় গিয়েও মারতে থাকেন ওই মহিলা। তার সঙ্গে যোগ দেন আরও এক স্থানীয় মহিলা। আধিকারিককে লাঠি পেটা শুরু করেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন ব্যক্তি যোগ দেন সরকারি অফিসার পেটানোয়।

আরও পড়ুন: পুকুরে মিলল গাড়ি, ২২ বছরের রহস্য সমাধান করল গুগল আর্থ

ওই আধিকারিকের নাম পরিচয় জানা গিয়েছে। তিনি সাব-ইন্সপেক্টর মোহনলাল ভয়াল। মোহনলালের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, যে বাড়িতে রেড করতে গিয়েছিলেন সেখানে এক কিশোরীর শ্লীলতাহানি করেন তিনি। যে মহিলা মোহনলালকে প্রথমে মারতে শুরু করেন, নির্যাতিতা কিশোরী তাঁরই মেয়ে।

আরও পড়ুন: রিয়াধের রাস্তায় শরীর-ঢাকা পোশাক ছাড়া মহিলা, হাঁ করে তাকিয়ে দেখলেন মানুষ

ভিডিয়োতে আরও দেখা যায়, যখন মোহনলালকে মারধর করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলেই আরও কয়েকজন পুলিশ কর্মী উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাঁদের কাউকেই এগিয়ে এসে মোহনলালকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়নি।

ওই মারধরের ঘটনায় দুই মহিলা সহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে।