• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

চিত্র সংবাদ

মাটির নীচে আস্ত আস্ত সব শহর, তারই কয়েকটির খোঁজ

শেয়ার করুন
china
চিন: বেজিংয়ের ভূগর্ভে রয়েছে এই শহর। নাম দিক্সিয়া চেং। এটা আসলে একটা বৃহৎ বোমা রাখার স্থান। ৩ লক্ষেরও বেশি কর্মী ১৯৭০ সালে শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা পেতে বেজিংয়ের প্রাণকেন্দ্রে এই শহর বানান। ৯০টি লুকনো প্রবেশ পথ রয়েছে। রেস্তোরাঁ, সিনেমা হল, স্কুল, চিকিৎসালয়, কারখানা সবই রয়েছে এই শহরে। ২০০৮ সালের পর থেকে শহরটি বন্ধ রেখেছে চিনা সরকার।
canada
কানাডা: কানাডার মন্টরিয়েলের মাটির নীচে অবস্থিত এই শহরটির নাম ইন্ডোর সিটি। এটা দুনিয়ার বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ শহর। ৩২ কিলোমিটার টানেল জুড়ে এই শহরটি তৈরি হয়েছে। শপিং মল, সাবওয়ে স্টেশন, রেল, আবাসন, মিউজিয়াম, বিশ্ববিদ্যালয় কী নেই সেখানে।
england
ইংল্যান্ড: ১৯৫০ সালে যুদ্ধের সময় নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এই শহরের নির্মাণ করা হয়। মাটির নীচে ১ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে থাকা এই শহরটি ৪০০০ জনকে আশ্রয় দিতে পারে। ১৯৮১ সাল পর্যন্ত এই শহরের অস্তিত্ব বাইরের জগতের কাছে অজানাই ছিল। শহরটির এখন কী অবস্থায় রয়েছে তা জানা যায়নি।
turkey
তুর্কি: ৮৫ ফুট নীচে দেরিনকুয়ু নামে তুর্কির এই শহরটি রয়েছে। শত্রুর আক্রমণ থেকে বাঁচতেই এই শহরটি তৈরি করা হয়। ১০০০ মানুষ এই শহরে বাস করতেন। এখন শহরটি পর্যটকদের আকর্ষণ।
iran
ইরান: ১০০০ বছর আগে কিশ নামে ইরানের এই শহরটি তৈরি হয়েছিল। এখন এই শহরটির কিছুটা অংশ পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই শহরের শপিং মল পর্যটকদের মূল আকর্ষণ।
australia
অস্ট্রেলিয়া: দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার এই ভূগর্ভস্থ শহরটির নাম কুবার পেডি। গরমে এই অঞ্চলের বাইরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়। গরম থেকে বাঁচতে বাসিন্দারা মাটির নীচের এই শহরে প্রবেশ করতেন। দোকান, চার্চ এবং স্কুলও রয়েছে এই শহরে। বর্তমানে এটিও পর্যটকদের আকর্ষণ।
poland
পোল্যান্ড: উইলিককা আসলে মাটির নীচে তৈরি থাকা লবণের খনি ছিল। শত্রুদের থেকে বাঁচতে যেখানে পরে মানুষজন থাকতে শুরু করেছিল। সভ্যতার সঙ্গে সেখানে চার্চ, খেলার জায়গা, রেস্তোরাঁ গড়ে ওঠে। শহরের রূপ পায়। যা বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ।
america
আমেরিকা: আমেরিকার কানসাস আর্মি টাউনের নীচে লিভেনওর্থ নামে এই শহরটি রয়েছে। কে বা কারা এই শহরটি তৈরি করেছিলেন তা জানা যায়নি। মাটির নীচে এই শহরের সঙ্গে উপরের বেশ কিছু মদের দোকানের যোগ থাকায় অনেকেরই ধারণা, গোপনে নিষিদ্ধ পাণীয়ের জন্যই এই শহরের নির্মাণ।

Advertisement

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
বাছাই খবর
আরও পড়ুন