• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিনোদন

জলসায় গান করায় বকেছিলেন বাবা, ব্যক্তিগত জীবন আড়ালেই রাখতে ভালবাসেন ডান্ডিয়া-রানি ফাল্গুনী

শেয়ার করুন
১৩ 1
স্কুলের ইউনিফর্মের বাইরে তাঁর পরনে সবসময় থাকত ছেলেদের পোশাক। সেই পোশাক পরেই নবরাত্রিতে মঞ্চে ওঠেন তিনি। চারদিকে রঙিন জমকালো ঘাগড়া-লেহঙ্গার মধ্যে পুরুষসাজের মহিলা কণ্ঠেই এরপর জমে ওঠে ডান্ডিয়ার আসর। গত কয়েক দশক ধরে এ ভাবেই বাজিমাত করে আসছেন ডান্ডিয়া-রানি, ফাল্গুনী পাঠক।
১৩ 2
গুজরাতের ভদোদরায় তাঁর জন্ম ১৯৬৪ সালের ১২ মার্চ। ফাল্গুন মাসে জন্ম বলে নাম রাখা হয়েছিল ফাল্গুনী। তাঁর কণ্ঠেও যেন চিরবসন্ত। সুরেলা গলায় হিন্দি ও গুজরাতি ভাষার মিষ্টি প্রেমের গানই তাঁর জনপ্রিয়তার চাবিকাঠি।
১৩ 3
পাঠক পরিবার দীর্ঘদিন মুম্বইয়ের খারের বাসিন্দা। চার দিদির পরে জন্ম ফাল্গুনীর। ছোট থেকেই তাঁকে ছেলের বেশে সাজিয়ে রাখা হত। তাতেই অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন ফাল্গুনী। গান গাওয়ার শখ ছিল ছোট থেকেই। প্রাথমিক ভাবে রেডিয়োয় গান শুনে শুনে তৈরি করেছেন নিজেকে। এমএমকে কলেজ অব কমার্স অ্যান্ড ইকনমিক্স থেকে স্নাতক ফাল্গুনী তালিম নিয়েছেন দিওয়ালিবেন ভীল এবং ভবদীপ জয়পুরওয়ালের কাছে।
১৩ 4
অথচ প্রথম দিকে ফাল্গুনী অনুষ্ঠান করতেন বাবাকে না জানিয়ে। প্রথম যখন জলসায় মেয়ের গানের কথা জানতে পারলেন বাবা, তিরস্কৃত হতে হয়েছিল ফাল্গুনীকে। কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে ফাল্গুনী গানকেই নিজের পেশা করেন। শোনা যায়, এখন অনুষ্ঠান পিছু তাঁর পারিশ্রমিক প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা।
১৩ 5
প্রথম রেকর্ডিং ১০ বছর বয়সে। অলকা যাজ্ঞিকের সঙ্গে তিনি গুজরাতি ছবিতে প্লেব্যাক করেন। বলিউডে তাঁর প্রথম প্লে ব্যাক ১৯৯০ সালে, ‘আঁধিয়া’ ছবিতে। এরপর তিনি প্লেব্যাক থেকে সরে যান ইন্ডিপপে।
১৩ 6
নয়ের দশকের গোড়ায় জনপ্রিয় হয় ইন্ডিপপ। প্লেব্যাকের বাইরে এই ধারার গানে ফাল্গুনী ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তাঁর সঙ্গে অনেকেই ইন্ডিপপের অ্যালবাম এনেছিলেন। কিন্তু তাঁরা বেশিরভাগই আজ হারিয়ে গিয়েছেন। এত বছর পরেও স্বমহিমায় উজ্জ্বল ফাল্গুনী।
১৩ 7
১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হয় ফাল্গুনীর প্রথম মিউজিক অ্যালবাম, ‘ইয়াদ পিয়া কি আনে লাগি’। শুরুতেই পৌঁছন সাফল্যের শীর্ষে। এই অ্যালবামে রিয়া সেন ছিলেন নায়িকা। তিনি-ও বিনোদন দুনিয়ার নজরে আসেন এই অ্যালবামেই। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১৩ 8
এর পরের কয়েক বছর ফাল্গুনীর গান বা অ্যালবাম মানেই বেস্ট সেলার-এর তালিকায়। ‘ম্যায়নে পায়েল হ্যায় ছনকাই’, ‘মেরি চুনর উড় উড় যায়’, ‘সাওয়ারিয়া তেরি ইয়াদ মেঁ’, ‘ইয়ে কিসনে জাদু কিয়া’, ‘হাওয়া মেঁ উড়তি যায়’-এর মতো অ্যালবামগুলিতে নিজের জনপ্রিয়তা ধরে রাখেন ফাল্গুনী পাঠক। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১৩ 9
ইন্ডিপপের পাশাপাশি ফাল্গুনী পরবর্তী কালেও প্লেব্যাক করেছিলেন। ‘কোয়েলা’, ‘প্যায়ার কোই খেল নেহি’, ‘দিওয়ানাপন’, ‘না তুম জানো না হম’-সহ বেশ কিছু ছবিতে গান করেছেন ফাল্গুনী। কিন্তু ইন্ডিপপের মতো সাফল্য পাননি প্লেব্যাক-এ। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১০১৩ 10
ধীরে ধীরে কমে আসে ইন্ডিপপের জনপ্রয়িতা। এরপর ফাল্গুনীর একমাত্র বিচরণক্ষেত্র হয়ে ওঠে নবরাত্রি পার্বণই। ১৯৯৪ সালে তৈরি হয় তাঁর দল ‘তা থইয়া’। মূলত গুজরাতের গ্রাম থেকে সংগ্রহ করা হয় লোকগীতি। তারপর সেই আঙ্গিকে তৈরি করা হয় নতুন গান। নবরাত্রির অনুষ্ঠানে ফাল্গুনীর গান তুমুল জনপ্রিয়। তিনি একচ্ছত্র ডান্ডিয়া-রানি। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১১১৩ 11
আদ্যন্ত নিরামিষাসী ফাল্গুনী খুব শৌখিন নিজের গাড়ি নিয়ে। পছন্দের মার্সিডিঞ্জ বেঞ্জে পরিবারের সবাইকে নিয়ে লং ড্রাইভে যেতে ভালবাসেন। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১২১৩ 12
স্কুলের বাইরে মেয়েদের পোশাক বিশেষ পরেননি ফাল্গুনী। তাঁর পছন্দের পোশাক ঢোলা টি শার্ট, চিনোজ এবং ওয়েস্ট কোট। মেক-আপ করেন শুধু অনুষ্ঠান থাকলে। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)
১৩১৩ 13
কেন শুধু পুরুষদের পোশাকই পরেন? জানিয়েছেন, এতেই স্বচ্ছন্দ তিনি। ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই ভালবাসেন তিনি। কেন এতদিন বিয়ে করেননি, সে নিয়েও মুখ খোলেন না ফাল্গুনী। (ছবি: সোশ্য়াল মিডিয়া)

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর
আরও পড়ুন