• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিনোদন

দেশি গার্লের জনপ্রিয়তা, না সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ, কেন ভেঙে গেল শাহিদ-প্রিয়ঙ্কার সম্পর্ক

শেয়ার করুন
১৫ bolly
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘কামিনে’-র সেট থেকেই তাঁদের সম্পর্কের সূত্রপাত। এই ফিল্মে একে অপরের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তাঁরা।
১৫ bolly
২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘কামিনে’-র সেট থেকেই তাঁদের সম্পর্কের সূত্রপাত। এই ফিল্মে একে অপরের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তাঁরা।
১৫ bolly
এর পর ‘তেরি মেরি কাহানি’-তেও একসঙ্গে দেখা যায় দু’জনকে। এটাই ছিল তাঁদের একসঙ্গে করা শেষ ফিল্ম। এই ফিল্মের পর তাঁদের ব্রেকআপও হয়।
১৫ bolly
শহিদের জীবনের সঙ্গে অনেক মহিলার নাম জড়িয়েছে। সোনাক্ষী সিন্‌হা, এষা দেওল, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, বিদ্যা বালন, করিনা কপূর...। তালিকাটা বেশ বড়।
১৫ bolly
তবে এঁদের মধ্যে যে দুটো সম্পর্ক নিয়ে শহিদ ভীষণ ভাবে সিরিয়াস ছিলেন তা হল প্রিয়ঙ্কা চোপড়া এবং করিনা কপূর। প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যদিও খুব কম সময়ের জন্য ছিল। কিন্তু তাঁদের এই সম্পর্ক অনেক বেশি চর্চায় এসেছিল।
১৫ bolly
তাঁদের সম্পর্কের শুরু ২০০৯ সালে। ‘কামিনে’ ছবি করার সময়ই কাছাকাছি আসেন তাঁরা। তার পর থেকে তাঁদের মাঝে মধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেতে শুরু করে।
১৫ bolly
সম্পর্কটা নিয়ে সিরিয়াস হলেও দু’জনের ভাবনাচিন্তার খুব একটা মিলছিল না। শহিদ ছিলেন ভীষণ দায়িত্বশীল এবং প্রাইভেট পার্সন। অন্য দিকে প্রিয়ঙ্কা ছিলেন অত্যন্ত ক্যাসুয়াল এবং খোলামেলা।
১৫ bolly
২০১০ সালে প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার বাড়িতে আয়কর অফিসারদের তল্লাশি চলে। প্রিয়ঙ্কা সে সময় শাহিদকেই ফোন করেছিলেন। শাহিদও খুব দ্রুত তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেই থেকেই তাঁদের সম্পর্কটা সকলের কাছে উন্মুক্ত হয়ে যায়।
১৫ bolly
পরে শাহিদ এবং প্রিয়ঙ্কা দু’জনে এক সাক্ষাত্কারে সম্পর্কের কথা স্বীকারও করেছিলেন। ২০১২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘তেরি মেরি কাহানি’ ফিল্মের শুটিং চলছিল। সে সময় থেকেই তাঁদের সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে শুরু করে। সেটা ছিল ২০১১ সাল।
১০১৫ bolly
বলিউডে গুঞ্জন, এ সময় নাকি প্রিয়ঙ্কা বলিউডের অন্য এক জনপ্রিয় অভিনেতার ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে ওই অভিনেতার ঘনিষ্ঠতা শহিদ কপূর মেনে নিতে পারছিলেন না।
১১১৫ bolly
শোনা যায়, সে সময় নাকি প্রিয়ঙ্কাকে ওই অভিনেতার সঙ্গে বেশি মেলামেশা করতেও মানা করেছিলেন শহিদ। কিন্তু প্রিয়ঙ্কা সে সবে কান দেননি। দু’জনের মধ্যে এই নিয়ে কথা কাটাকাটি হতে শুরু করে।
১২১৫ bolly
তার উপর প্রিয়ঙ্কার কেরিয়ারেও বড়সড় শিফট হতে শুরু করে। শহিদ তখও স্ট্রাগল করছিলেন, আর প্রিয়ঙ্কা দ্রুত সিঁড়ি বেড়ে উপরে উঠতে শুরু করে দেন। দেশি গার্লের এই জনপ্রিয়তাও শাহিদ মেনে নিতে পারছিলেন না বলে মনে করেন অনেকে।
১৩১৫ bolly
এ সবের মাঝে দু’জনের মধ্যে অনেক দূরত্বও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তবে প্রিয়ঙ্কা এবং শাহিদ দু’জনেই সম্পর্কটাকে একটা শেষ সুযোগ দিতে চেয়েছিলেন। ২০১১ সালের নভেম্বর নাগাদ তাঁরা একসঙ্গে ছুটি কাটাতে গোয়া যান।
১৪১৫ bolly
কিন্তু সম্পর্কের সেই চিড় আর পুরোপুরি জোড়া লাগেনি। দু’জনেই বুঝতে পেরেছিলেন, এই সম্পর্কটাকে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
১৫১৫ bolly
বর্তমানে অবশ্য দু’জনেই নিজেদের পরিবার নিয়ে খুশি। শাহিদের স্ত্রী মীরা এবং প্রিয়ঙ্কার স্বামী নিক জোনস। একে অপরের সঙ্গে সুখে সংসার করছেন।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
বাছাই খবর
আরও পড়ুন