• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বিনোদন

কুলিগিরি, বাসের টিকিট কেটে জীবন কাটত, সেই থালাইভাই আজ ৪০০ কোটির মালিক!

শেয়ার করুন
১৩ rajnikanth
আসল নাম শিবাজি রাও গায়কোয়াড়। তবে জনপ্রিয় রজনীকান্ত নামে। জানেন কি তামিল ছবির এই সুপারস্টার এক সময় খাবার জোগাড়ের জন্য নানা ছোটখাটো কাজ করেছেন?
১৩ rajni
কখনও কুলি হয়ে জিনিসপত্র বয়ে দিয়েছেন, কখনও বাসের টিকিট কেটেছেন কন্ডাক্টর হয়ে। উপার্জনের জন্য একসময় এ সব কিছুই করতে হয়েছে তাঁকে। আর আজ তিনি অন্তত ৪০০ কোটি টাকার মালিক! ২০১০ সালে ফোর্বস সূত্রে জানা যায়, তখন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩৫৪ কোটি ৬৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা। সম্পত্তির এই হিসাব বর্তমানে আরও বেড়েছে।
১৩ rajni
‘থালাইভা’ রজনীকান্তের জন্ম ১৯৫০ সালে বেঙ্গালুরুর এক মরাঠি পরিবারে। মা সারাদিন সংসারের কাজকর্ম নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন। আর বাবা রামোজি রাও ছিলেন পুলিশের কনস্টেবল।
১৩ rajni
চার ভাইবোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট ছিলেন রজনীকান্ত। ১৯৫৬ সালে রজনীকান্ত যখন সবে ছ’বছরের তাঁর বাবা চাকরি থেকে অবসর নেন। ছয়জনের সংসারে পেনশনের টাকা দিয়ে সংসার চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে বাবা রামোজির।
১৩ rajni
সপরিবারে বেঙ্গালুরু শহর ছেড়ে কাছেই হনুমন্থনগর বস্তিতে ঘর বেঁধে থাকতে শুরু করেন তাঁরা। খুব কম বয়সে মাকেও হারিয়েছিলেন রজনীকান্ত। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁদের সংসার দেখার মতো কেউ ছিল না। পরিবারটা প্রায় ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছিল।
১৩ rajni
বেঙ্গালুরুর একটা সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন রজনীকান্ত। তারপর তাঁর দাদা তাঁকে রামকৃষ্ণ মঠে ভর্তি করিয়ে দেন। ছোট থেকে ক্রিকেট, বাস্কেটবলের প্রতি আগ্রহ ছিল, কিন্তু অভিনয়কে সে ভাবে ভালবাসতেন না। রামকৃষ্ণ মঠেই তাঁর অভিনয়ে হাতেখড়ি।
১৩ rajni
সংসারের টানাপড়েনে স্কুল পাশ করেই রজনীকান্ত চাকরির জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কখনও কুলিগিরি কখনও কাঠের মিস্ত্রি হয়ে কাজ করেছেন। তারপর বেঙ্গালুরু ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টের বাস কনডাক্টরের কাজ পান।
১৩ rajni
এ সব কাজ করাকালীনও মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন পৌরাণিক চরিত্রে অভিনয় করতেন রজনীকান্ত। তবে অভিনয়ে জনপ্রিয় হওয়ার আগে বাস কন্ডাক্টর হিসাবেও ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।
১৩ rajni
যে রুটের বাসের কন্ডাক্টর ছিলেন রজনীকান্ত, সে বাসটা ধরার জন্যই অনেক সময় পাবলিক অপেক্ষা করতেন। কারণ, রজনীকান্ত বাসের মধ্যেও টিকিট সংগ্রহের সময় নিজের ইউনিক স্টাইল দেখিয়ে যাত্রীদের বিনোদন দিতেন।
১০১৩ rajni
বাস কন্ডাক্টরের চাকরি করার সময় রজনীকান্ত কবি ও লেখক টপি মুনিয়াপ্পার পৌরাণিক কাহিনিতে অভিনয়ের সুযোগ পান। সে সময়ই তিনি অভিনয়টা আরও ভাল করে শেখার জন্য মাদ্রাজ ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন।
১১১৩ rajni
কাজ ছেড়ে ফিল্ম ইনস্টিটিউটে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্তে বাড়ির লোকেদের একেবারেই সায় ছিল না। সে সময় তাঁর আর এক কন্ডাক্টর বন্ধু তাঁকে ভরসা জুগিয়েছিলেন। তাঁকে আর্থিক সাহায্যও করেছিলেন।
১২১৩ rajni
ফিল্ম ইনস্টিটিউটেই তামিল ফিল্ম পরিচালক কে বালাচন্দ্রের নজরে পড়ে যান তিনি। তাঁর পরামর্শেই তামিল ভাষা শেখেন রজনীকান্ত। ১৯৭৫ সালে কে বালাচন্দ্রের ফিল্ম ‘অপূর্বা রাগাঙ্গাল’ -এ প্রথম অভিনয় তাঁর।
১৩১৩ rajni
তারপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। একটার পর একটা ফিল্মের অফার পেতে শুরু করেন তিনি। ২০০৭ সালে ‘শিবাজি’ ছবিতে ২৬ কোটি টাকা পারিশ্রমিক নিয়ে এশিয়ার দ্বিতীয় পারিশ্রমিক নেওয়া অভিনেতা হন তিনি। সে বছর পারিশ্রমিকে প্রথম ছিলেন জ্যাকি চ্যান।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
বাছাই খবর
আরও পড়ুন