সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দেশ

১৫ ডিসেম্বর থেকে ফাস্ট্যাগ বাধ্যতামূলক, এই নিয়মগুলো না জেনে রাখলে অসুবিধায় পড়বেন

শেয়ার করুন
১৫ fastag
জাতীয় সড়কে টোল দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই অনলাইন ব্যবস্থা চালু করেছে কেন্দ্র। যার মাধ্যমে গাড়ি না থামিয়েই টাকা দেওয়া যায়। নতুন এই পদ্ধতিকে ফাস্ট্যাগ বলা হচ্ছে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক ফাস্ট্যাগ চালু করছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। কী এই ফাস্ট্যাগ? কী ভাবে কাজ করবে এটা? এর জন্য কী কী করতে হবে সবিস্তারে জেনে নিন এখানে।
১৫ fastag
ফাস্ট্যাগ কী: গাড়ির ডিজিটাল তথ্যসম্বলিত ট্যাগ বা পাতলা কার্ড।
১৫ fastag
কী ভাবে কাজ করবে: রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) প্রযুক্তিতে কাজ করবে ফাস্ট্যাগ। টোল প্লাজার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় সেই ট্যাগ স্ক্যান হতেই পাসিং গেট খুলে যাবে। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।
১৫ fastag
কোথায় লাগাতে হবে: গাড়ির সামনের কাচে (উইন্ডস্ক্রিন)। নতুন গাড়ি তৈরির সময়েই এই ট্যাগ লাগানো বাধ্যতামূলক। গাড়ি সংস্থাকেই সেই দায়িত্ব নিতে হবে। পুরনো গাড়ি হলে ফাস্ট্যাগ কেনার দায়িত্ব মালিকের। ৫ বছরের জন্য চালু থাকবে একটি ট্যাগ।
১৫ fastag
এই ট্যাগ থাকলে টোলপ্লাজাগুলোতে লাইনে দাঁড়াতে হবে না। গাড়ি না থামিয়েই এই ট্যাগের মাধ্যমে মেটানো যাবে টোলের টাকা। ট্যাগের সঙ্গে যুক্ত থাকা অ্যাকাউন্ট (ওয়ালেট) থেকেই কেটে নেওয়া হবে ওই টাকা। তবে এর জন্য ফাস্ট্যাগ অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত পরিমাণে টাকা থাকতে হবে।
১৫ fastag
মিলবে কোথায়: ব্যাঙ্ক, ই-কমার্স সংস্থা ও ওয়ালেট মারফত কেনা যাবে এই ট্যাগ। প্রতিটি টোল প্লাজ়াতেও ওই ট্যাগ কেনার সুবিধা রাখছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই)।
১৫ fastag
এ ছাড়া গুগল প্লে স্টোর থেকে মাইফাস্ট্যাগ অ্যাপ ডাউনলোড করতে পারেন। এখান থেকেই জানতে পারবেন কাছাকাছি কোন কেন্দ্র থেকে এই ট্যাগ কেনা যাবে। অ্যাপ ডাউনলোড করার পর ‘বাই এনএইচএআই ফাস্ট্যাগ’ অপশনে ক্লিক করলে ‘নিয়ারবাই পয়েন্ট অব সেল’ অপশনটা পাওয়া যাবে। তার পর নিজের ‘স্টেট ও সিটি’ সিলেক্ট করলেই ফাস্ট্যাগ কেন্দ্রের খোঁজ মিলবে। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।
১৫ fastag
খরচ কত: ফাস্ট্যাগের দাম ৪০০-৫০০ টাকা। এর মধ্যে ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট ২০০ টাকা। ফাস্ট্যাগ ইস্যুর জন্য লাগবে ১০০ টাকা এবং ফাস্ট্যাগ ব্যবহারের জন্য দিতে হবে ১০০ টাকা। তবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিনামূল্যে ফাস্ট্যাগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ব্যাঙ্ক থেকেও টাকা দিয়ে কেনা যাবে এই ট্যাগ। তবে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক বিশেষে সেই দাম আলাদা হতে পারে।
১৫ fastag
রিচার্জ কোথায়: ব্যাঙ্কই ব্যবস্থা করে দেবে আলাদা ওয়ালেটের। সেখানেই টাকা ভরাতে হবে। টোল দেওয়ার সময় ওই ব্যালান্স থেকেই তা কেটে নেওয়া হবে। টাকা ভরানো যাবে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড, নেফ্‌ট, আরটিজিএস, নেট ব্যাঙ্কিং ইত্যাদির মাধ্যমে। যদি একই রাস্তা দিয়ে বারবার যাতায়াত করতে হয়, তা হলে নেওয়া যাবে মাসিক পাসও। মাইফাস্ট্যাগ অ্যাপেরও সুবিধা নেওয়া যাবে।
১০১৫ fastag
লাগবে কোন নথি: ব্যাঙ্কের কাছ থেকে পাওয়া যাবে ফাস্ট্যাগের আবেদনপত্র। গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, মালিকের পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির ধরনের (যাত্রিবাহী, বাণিজ্যিক) সঙ্গে মিলিয়ে জমা দিতে হবে কেওয়াইসি নথি। গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।
১১১৫ fastag
বাড়তি সুবিধা কী রয়েছে: ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে টোল দিলে আপাতত ২.৫ শতাংশ ক্যাশব্যাকের সুবিধা মিলবে।
১২১৫ fastag
গাড়ি বিক্রি করলে: গাড়ি বিক্রি করে দিলে ব্যাঙ্কে গিয়ে সেটির ফাস্ট্যাগের সঙ্গে যুক্ত ওয়ালেট বন্ধের আর্জি জানাতে হবে। একই ব্যবস্থা নিতে হবে গাড়ি চুরি গেলেও।
১৩১৫ fastag
মনে রাখা জরুরি: দেখে নিতে হবে, ট্যাগ যেন গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে এমন জায়গায় থাকে, যাতে টোল প্লাজ়ার রিডারে ট্যাগের তথ্য ধরা পড়ে। এক এক গাড়ির নকশা একেক রকমের। পুরনো গাড়ির ক্ষেত্রে কোথায় ট্যাগ লাগালে ভাল হয়, ডিলারদের জিজ্ঞাসা করে নেওয়াই ভাল।
১৪১৫ fastag
পশ্চিমবঙ্গে কী অবস্থা: এ রাজ্যে মোট ১৫টি টোল প্লাজ়া রয়েছে। এখনও বাধ্যতামূলক না হলেও ইতিমধ্যেই সেগুলিতে ফাস্ট্যাগের মাধ্যমে টোল দেওয়ার সুবিধা চালু হয়েছে।
১৫১৫ fastag
হিসেব বলছে, দু'মাস আগে রাজ্যের টোল প্লাজ়া দিয়ে যাওয়া প্রতি ৫টি গাড়ির মধ্যে একটিতে ওই ট্যাগ থাকত। এখন প্রতি ৪টি গাড়ির মধ্যে একটিতে থাকছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে কিছু দিন আগে টোল প্লাজ়াগুলিতে ৩০-৪০টি ফাস্ট্যাগ বিক্রি হলেও এখন তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ১,০০০টি।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর
আরও পড়ুন