srijato

বৈশাখীর জন্যে

কলম ধরলেন শ্রীজাত


chandril

এই নববর্ষে বাঙালির রেজোলিউশন

এমনিতেই এখন আদ্ধেক লোক ঘুরপথে অফিস যাচ্ছেন, দেড় ঘণ্টা এক্সট্রা লাগুক বাবা, উড়ালপুলের তলা দিয়ে যাব না। ওপর দিয়েও নয়। অত উঁচু থেকে পড়লে তো আর রক্ষে নেই। একটা কথা আছে ‘অতি বাড় বেড়ো না, ঝড়ে পড়ে যাবে।’ লিখছেন চন্দ্রিল ভট্টাচার্য


debjeet

বে-পাড়ার নববর্ষ

চড়কের ঢাকে আওয়াজ পড়লেই সাবেক বছরের ইতি-রেখা আলপনার স্বস্তিক এঁকে দেয় নববর্ষের দরজায় দরজায়। ডাব-মিষ্টি-হালখাতা-পাঁজি-নতুন জামা আর গোলাপজলের ফুর্তি-ফোয়ারায় হাজির হয় নববার্ষিক বৈশাখী পয়লা। হুতোম প্যাঁচার আড়ালে কালীপ্রসন্ন সিংহর (১৮৪০-১৮৭০) রস-ব্যাখ্যা—


polao

নববর্ষের পাতে

দিনটা আবার ঘুরে আসবে সেই একটা বছর পরে। বর্ষবরণের দিনটায় ইদানীং কালে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় হরেকরকম খাবারের আয়োজন থাকে। তবু বাড়িতে জমিয়ে রান্না করার চলটাও কোথায় রয়েই গিয়েছে। বাড়ি ভর্তি প্রচুর অতিথির মাঝখানে সময় করে নিজের হাতের জাদু দেখানোর সুযোগটা আপনি ছাড়বেন না নিশ্চয়ই।


chinu

শুধু আর্ন নয় বার্নও করুন

মাছ-ভাতের বাঙালির শরীর আর পেট দুই রোগা। মকাই কি রোটি আর সর্ষো কি শাগে পঞ্জাবিরা হাট্টা-গোট্টা। বাঙালির এই দুর্নাম মোছানোর আবহ হল বাংলা নববর্ষ। এই বৈশাখে মনে মনে সঙ্কল্প করুন শুধু খাই খাই করে ক্যালোরি আর্ন নয়— সঙ্গে সঙ্গে বার্নও করতে হবে।


poila boishakh

হারিয়ে গিয়েছে নববর্ষের গন্ধমাখা সেই চিঠি

১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বঙ্গদর্শন’-এর আত্মপ্রকাশ থেকে শুরু করে হাল আমলে আইন বদল করে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ থেকে রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ করা— অনেক কিছুই আবর্তিত হয়েছে বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে। লিখছেন অশোক সেনগুপ্ত


resolutions

রেজোলিউশনগুলো এক্কেবারে গুপি না করে ফেলার রেজোলিউশন নিন

এমনিতেই বাঙালিরা চিরকাল প্রতিশ্রুতির মামলায় যে কোনও দিন বলে বলে গোল দেয় যে কাউকে। এখন তো আবার ভোটের ভরা মরসুম। প্রতিশ্রুতি এখন এ বঙ্গের আকাশ-বাতাস থেকে টুপটাপ ঝরে পড়ছে। এর মাঝেই বেশ ঝাক্কাস কায়দায় চলে আসছে আস্ত একটা নতুন বছর। রাতটা টুক করে টপকালেই চোদ্দোশোর ফুরফুরে ২৩-এ পা। তার জওয়ানি এখন ফুলটুস জানেমন। মোদ্দা কথায় যৌবনের মধ্যগগনে আরও বেশ কিছু দিন বহাল তবিয়তে রাজত্ব করার ভরপুর পারমিশন নিয়ে আসছে সে।


Banla Naboborsho

কান বার্লিন ভেনিস মৃণাল

জা ক দ্যুত্রঁক ‘খারিজ’-এর জন্য জুরি পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন মৃণাল সেনের হাতে। কান চলচ্চিত্র উৎসব, ১৯৮৩। সাদা কালোয় পাতাজোড়া ছবি, কাইয়ে দ্যু সিনেমা-র মোটাসোটা ঝলমলে বই— কান সিনেমা/ আ ভিশুয়াল হিস্ট্রি অব দ্য ওয়ার্ল্ডস গ্রেটেস্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (১৯৩৯-২০১০), তার পাতা ওলটালেই বেরিয়ে পড়বে ছবিটা, তলায় মৃণাল সেনের পরিচিতি: বেঙ্গলি ইন্ডিয়ান ডিরেক্টর।


Dr. Sudipta Sengupta

আন্টার্কটিকা, আমি, ১৯৮৩

ভারত থেকে আন্টার্কটিকায় প্রথম বৈজ্ঞানিক অভিযান হয় ১৯৮১ সালে। প্রথম দু’বছর দলে কোনও মহিলা সদস্য ছিল না। ১৯৮৩ সালে, তৃতীয় আন্টার্কটিকা অভিযানে প্রথম মহিলা বৈজ্ঞানিক নেওয়া হয়। আমি এবং অদিতি পন্থ প্রথম ভারতীয় মহিলা বৈজ্ঞানিক হিসেবে আন্টার্কটিকা যাই। আমরা গিয়েছিলাম গোয়া থেকে জাহাজে চড়ে।


Atish Dipankar

তিব্বতে ‘ধম্ম’ ফেরালেন অতীশ দীপঙ্কর

সপ্তম শতাব্দীতে তিব্বতে বৌদ্ধধর্ম প্রবেশ করেছিল, তার পরের একশো বছরে ছড়িয়ে পড়েছিল। ভারত থেকে আচার্য শান্তরক্ষিত ও পদ্মনাভ’র আগমনের পর, তিব্বতিরা বৌদ্ধ জীবনাদর্শে নিজেদের খাপ খাইয়ে নিতে শুরু করে। ভারতের ওদন্তপুরী বিহারের আঙ্গিকে সাম্‌ইয়ে বৌদ্ধ বিহার গড়া, বৌদ্ধধর্ম নিয়ে পড়াশোনা, তিব্বতি ভাষায় বৌদ্ধ ধর্মশাস্ত্রগুলোর অনুবাদ।


Loknath Bhattacharya

ফরাসি কবিতার বাঙালি রাজকুমার

লোকনাথ ভট্টাচার্যকে (১৯২৭-২০০১) প্রথম বার দেখে চমকে উঠেছিলাম। এত রূপবান হয় মানুষ? মনে হয়েছিল এক ইউরেশীয় ভাস্কর্যের সঙ্গে কথা বলছি। খালি গায়ে বসে ফরাসি দেশ ও সাহিত্য (সম্ভবত দেকার্ত) নিয়ে মৃদু স্বরে কিছু বলছিলেন। জানতাম তিনি পঞ্চাশের দশকে র‌্যাঁবোর ‘মাতাল তরণী’ ও ‘নরকে এক ঋতু’ অনুবাদ করেছিলেন।


Chander Pahar

শঙ্করের পাহাড়

গহন অন্ধকার। অনেকটা সুচারু কোনও অপরাধীর মাথায় গেড়ে বসা কালো অবচেতনের মতো সেই অন্ধকার। দু’ধারে হাত-পা ছড়িয়ে দিচ্ছে লোয়ার ভেল্ডট‌্স-এর মোলায়েম বাদামি গ্রাসল্যান্ড। সে দিন অমাবস্যার রাত। জ্যোৎস্নায় মাটি ধুয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। জনবসতি এই মারোপেং অঞ্চলে সত্যিই নেই। বিভূতিভূষণ উল্লিখিত উগান্ডা রেলওয়েজ-এর নির্মম জনশূন্য নুড‌্সবার্গ রেলওয়ে স্টেশন-এর সেট আমরা বানিয়েছিলাম এই মারোপেং অঞ্চলে।