• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

দখলেই থাকবে শীর্ষ স্থান, আত্মবিশ্বাসী আলেসান্দ্রো

Alejandro Menendez
আলেসান্দ্রো মেনেন্দেস।

উইলিস প্লাজ়ারা এক গোল দিলে পাল্টা দু’গোল দেওয়ার মানসিককতা নিয়ে গোয়ায় খেলতে নামবে তাঁর দল, বৃহস্পতিবার বানার্ডো তাভারেসের  দলকে ঘুরিয়ে এ ভাবেই কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাখলেন  আলেসান্দ্রো মেনেন্দেস।

প্লাজ়া, দাওদা সিসেদের মতো ফুটবলার আপনার দলের বিরুদ্ধে খেলবেন, ওঁদের আটকানোর জন্য কি আলাদা রণনীতি তৈরি করছেন?  গোয়ায় চার্চিলের বিরুদ্ধে খেলতে যাওয়ার আগের দিন এই প্রশ্ন শুনে ইস্টবেঙ্গল কোচ বলে দিলেন, ‘‘আমরা একটা শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে যাচ্ছি। তবে আমাদের সব সময় লক্ষ্যই হবে ওদের চেয়ে বেশি গোল করা।’’ সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিলেও খেইমে কোলাডোদের কোচ বুঝিয়ে দেন, ওদের প্লাজ়া-সিসে থাকলে মশালবাহিনীতেও গোল করার লোক আছেন। 

মোহনবাগান রবিবার রিয়াল কাশ্মীরের বিরুদ্ধে খেলতে নামার তিন দিন আগে পৌঁছে গিয়েছে শ্রীনগরে। লাল-হলুদের স্পেনীয় কোচ অবশ্য তাঁর ভাবনার বদল ঘটাননি। আজ, শুক্রবার সকালে যুবভারতী সংলগ্ন মাঠে অনুশীলনের পরই গোয়ার বিমানে উঠবেন কাশিম আইদারারা। চ্যালেঞ্জ নিলেও তিনি যে চার্চিল নিয়ে চিন্তিত নন, সেটা একবারের জন্যও বলেননি আলেসান্দ্রো। আবার নিজের দলকে পিছিয়েও রাখেননি। বৃহস্পতিবার অনুশীলনের পরে ইস্টবেঙ্গল কোচ বলে দিয়েছেন, ‘‘এই ম্যাচটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা লিগ টেবলের শীর্ষে আছি। সেটা ধরে রাখতে হলে জিততে হবে। প্রস্তুতি ভাল হয়েছে। দলের জেতার মানসিকতা তুঙ্গে রয়েছে। তিন পয়েন্ট নিয়েই ফিরতে চাই।’’ তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, চার্চিল আগের ম্যাচে হেরে গিয়েছে ইন্ডিয়ান অ্যারোজের মতো যুব দলের কাছে। এটা কি ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে  সুবিধাজনক হবে? আলেসান্দ্রো বলে দেন, ‘‘আমরা এখনও কোনও ম্যাচ হারিনি। সেটা বজায় রাখতে হবে। ছেলেরা সেটা জানে।’’

এমনিতে ইস্টবেঙ্গল অনুশীলনে সাধারণত কথা বলেন না কোচ ও  ফুটবলারেরা। কিন্তু আজ শুক্রবার ক্লোজ ডোর অনুশীলন হবে তাই চার্চিল ম্যাচ নিয়ে কথা বলতে রাজি হন আলেসান্দ্রো। তবে শর্ত দেওয়া হয়েছিল চার-পাঁচটি প্রশ্নের বেশি করা যাবে না।

চিকেন পক্সের জন্য দলের সঙ্গে গোয়া যেতে পারছেন পিন্টু মাহাতো। তবে চোট পেলেও দলের সঙ্গে সামাদ আলি মল্লিককে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। লাল-হলুদের কোচ বললেন, ‘‘সামাদকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওর এখনও মাঠের বাইরে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়নি। আর আমার দল শুধু ১১ জন ফুটবলার নিয়ে তৈরি নয়। আরও ফুটবলার আছে দলে।’’ পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন,  ফিফার নতুন দলবদলের ‘উইনডো’ খোলার পরে মোহনবাগান দু’জন নতুন বিদেশি নিলেও ইস্টবেঙ্গলে কোনও বদল হচ্ছে না। 

বোরখা গোমেজ পিরেজ এবং লালরিন্দিকা রালতে দলে ফেরায় খুশি আলেসান্দ্রো। অনুশীলন দেখে মনে হয়েছে বোরখাকে স্টপারে খেলানো হতে পারে চার্চিল ম্যাচে। ‘‘বোরখা এবং ডিকাকে খেলার অনুমতি দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। ওরা অনুশীলন উপভোগ করছে। মানসিক ভাবে খেলার জন্য তৈরিও। ওরা ফিরে আসায় দলের শক্তি বেড়েছে।’’ ষষ্ঠ বিদেশি হিসাবে বোরখার মতো মাঠে অধিনায়কোচিত মনোভাবের ডিফেন্ডার ফেরায় প্লাজ়াদের আটকাতে সুবিধা হবে মেনে নিয়েছেন আলেসান্দ্রো। বলে দিয়েছেন, ‘‘ডার্বি না হওয়ায় অনেক দিন ম্যাচ খেলতে হয়নি। এতে চোট পাওয়া ফুটবলারদের সুস্থ করে তুলতে সুবিধে হয়েছে। এখন আমার দলে কোনও চোট পাওয়া ফুটবলার নেই।’’ এর পরই হাসতে হাসতে দোভাষীর সঙ্গে কথা বলতে বলতে হাঁটতে শুরু করেন আলেসান্দ্রো।           

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন