রঞ্জি ট্রফিতে বাংলাকে সব চেয়ে বেশি ভুগিয়েছিল তাদের ফিল্ডিং। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে নামার আগে সেই বিভাগে উন্নতি চান দলের অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি। 

রবিবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সল্টলেক ক্যাম্পাসের মাঠে প্রায় দেড় ঘণ্টা ফিল্ডিং অনুশীলন করল মনোজ-বাহিনী। সাইরাজ বাহুতুলে কোচ থাকাকালীন ফিল্ডিংয়ে যতটা জোর দেওয়া হত, অরুণ লালের যুগে তার চেয়েও বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ফিল্ডিংকে। রঞ্জি ট্রফি মরসুম শেষে অরুণ বলে দিয়েছিলেন, কারও ফিল্ডিং খারাপ হলে প্রথম একাদশে তাঁর জায়গা পাওয়া কঠিন হবে। রবিবার মনোজও বললেন, ‘‘দলের প্রত্যেককে বলে দেওয়া হয়েছে, এটাই মুস্তাক আলি ট্রফির ট্রায়াল। এখানে যারা ভাল করবে, তাদেরই সুযোগ দেওয়া হবে। রঞ্জি ট্রফিতে সব চেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে ফিল্ডিং নিয়ে। আসন্ন প্রতিযোগিতায় একই ভুল করা চলবে না। প্রত্যেকেই তাই ফিল্ডিংয়ের উপর জোর দিচ্ছে। আলাদা করে ক্যাচ প্র্যাক্টিস করছে।’’

আজ, সোমবার বাংলার অনুশীলনে ব্যাটিং উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেবেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। তাঁর সামনে ‘সিমিউলেশন ট্রেনিং’— অর্থাৎ পরিস্থিতি সামলানোর অনুশীলন করার পরিকল্পনা রয়েছে মনোজদের। ব্যাটসম্যান অথবা বোলারকে নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করে দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী ব্যাট অথবা বল করে সফল হতে হবে। ধরা যাক দলের দুই ব্যাটসম্যানকে ফিল্ডিং সাজিয়ে বলে দেওয়া হল, ছয় ওভারে ৭০ রান করতে হবে। সেই অনুযায়ী ব্যাট করতে হবে নির্দিষ্ট জুটিকে। মনোজ বলছিলেন, ‘‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পরিস্থিতি সামলানোই আসল। তা ছাড়া এত দিন লাল বলের ক্রিকেট খেলে এসেছি। সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার জন্য এটাই সেরা অস্ত্র।’’

আজ সোমবার নাদিয়াদে অনূর্ধ্ব-২৩ জাতীয় ওয়ান ডে খেলতে রওনা হচ্ছে বাংলার দল। রবিবার তাদের শেষ অনুশীলনে ভারতীয় পেসার মহম্মদ শামির ভাই মহম্মদ কাইফকে ডাকা হয়েছিল নেটে বোলিং করতে।