• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

সুদীপ, ডিন্ডা ছন্দে ফেরায় স্বস্তি অধিনায়কের

Dinda
ছবি: সুদীপ্ত ভৌমিক

Advertisement

মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি  ম্যাচে ইনিংসে পিছিয়ে শেষ করল বাংলা। পেস বোলিং বিভাগ শুরুটা ভাল করলেও বিপক্ষকে ১৭২ রানের মধ্যে আটকাতে ব্যর্থ বাংলা। মধ্যপ্রদেশ ২৭২-৯ স্কোরে ডিক্লেয়ার করে। ১০০ রানে অপরাজিত আদিত্য শ্রীবাস্তব। দিনের শেষে এক উইকেট হারিয়ে বাংলার রান ৬০। 

দু’দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলার প্রাপ্তি অবশ্যই অশোক ডিন্ডার ছন্দে ফেরা। প্রথম দিনই চার ওভার বল করে তিন উইকেট তুলে নিয়েছিলেন বাংলার পেসার। দ্বিতীয় দিন বল করেননি। এ ছাড়াও সুদীপ চট্টোপাধ্যায়কে ছন্দে ফিরতে দেখে স্বস্তিতে বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি ১৬ রান করলেও বাংলার সহ-অধিনায়ক প্রথম ইনিংসে ২৮ রানের পরে দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ১৬ রানে। ২৩ রানে অপরাজিত অভিষেক রামন। 

ডিন্ডা ও সুদীপ ছন্দে ফেরায় খুশি অধিনায়ক। অভিমন্যু বলছিলেন, ‘‘দলে ডিন্ডাদার মতো অভিজ্ঞ পেসারকে পাওয়া আমাদের কাছে বোনাস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৪০০-র উপরে উইকেট। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ পাচ্ছি।’’ যোগ করেন, ‘‘ম্যাচেও খুব ভাল ছন্দে দেখা গিয়েছে ওকে। নতুন বলে উইকেট নেওয়ার কাজটি এখন থেকেই শুরু করেছে ডিন্ডাদা।’’ আর সুদীপের ফর্ম নিয়ে তাঁর কী বক্তব্য? ঈশ্বরনের উত্তর, ‘‘সুদীপদা বাংলার হয়ে একটি মরসুমে চারটির উপরে সেঞ্চুরি করেছে। কখনও এক-দু’টো মরসুম খারাপ যেতেই পারে। কিন্তু প্রস্তুতি ম্যাচে দেখা গিয়েছে সুদীপদার ভাল টাইমিং হচ্ছে।’’

সুদীপের ব্যাটিংয়ে খুশি হলেও বাকিদের পারফরম্যান্স অধিনায়কের কপালে ভাঁজ ফেলেছে। সেই সঙ্গে তিনি উপলব্ধি করেছেন, কঠিন মুহূর্তে ভেঙে পড়ছে দল। ঈশ্বরনের কথায়, ‘‘লক্ষ্মণ স্যরের ক্লাসে ব্যাটিং উন্নতি করার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু কঠিন মুহূর্তে ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা ওয়ান ডে ও টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতায় দেখা গিয়েছে। কোচ ও দলের সদস্যদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। দ্রুতই এই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া হবে।’’

জাফরের নজির: রঞ্জি ট্রফিতে অনন্য নজির ওয়াসিম জাফরের। সোমবার রঞ্জি ট্রফির ১৫০তম ম্যাচ খেলতে নামলেন তিনি। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই নজির গড়লেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার। 

সে ম্যাচেই প্রথম ইনিংসে অন্ধ্রপ্রদেশকে ২১১ রানে অলআউট করে দিল গত বারের চ্যাম্পিয়ন বিদর্ভ। বিপক্ষ অধিনায়ক হনুমা বিহারী ৮৩ রান না করলে এই রানেও তারা পৌঁছত কি না সন্দেহ। বিদর্ভের হয়ে চার উইকেট নেন আদিত্য সরওয়াটে। তিন উইকেট পেসার গুরবাণীর। 

বরোদার বিরুদ্ধে বঢোদরায় প্রথম দিন আট উইকেট হারিয়ে ৩৬২ রান মুম্বইয়ের। ৬২ বলে ৬৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস উপহার দিয়েছেন পৃথ্বী শ। অজিঙ্ক রাহানে করেছেন ৭৯ রান।

ডিন্ডিগুলে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ছয় উইকেট হারিয়ে কর্নাটকের রান ২৫৯। ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৪৩ রান করে ফিরে যান। ৭৮ রান করেন দেবদূত পাড়িক্কাল। 

তিরুঅনন্তপুরমে দিল্লির বিরুদ্ধে কেরলের হয়ে মরসুমের প্রথম সেঞ্চুরি করলেন রবিন উথাপ্পা। ২২১ বলে ১০২ রান করে ফিরে গেলেন তিনি। সেঞ্চুরি হাতছাড়া করলেন ওপেনার রাহুল পি (৯৭)। তিন উইকেট হারিয়ে কেরলের রান ২৭৬। জয়পুরে পঞ্জাবের বিরুদ্ধে ২৫৬ রানে নয় উইকেট হারিয়েছে রাজস্থান। পঞ্জাবের হয়ে তিন উইকেট সিদ্ধার্থ কলের। 

সৌরভ অ্যাকাডেমির মাঠে প্লেট গ্রুপে মিজোরামকে ৬৫ রানে অলআউট করে মণিপুর। ২২ রানে আট উইকেট বাঁ-হাতি রেক্স সিংহের।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন