• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

মেসির পাসে শেষ আটে বার্সেলোনা

11
গোল পেলেন না। তবু মেসিকে সামলাতেই হিমশিম ম্যান সিটি। ছবি: এএফপি।

Advertisement

তিনে তিন। সফল লা লিগার তিন টিমই। রিয়াল মাদ্রিদ, আটলেটিকো মাদ্রিদের পরে বার্সেলোনাও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে। বুধবার রাতে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে ১-০ হারিয়ে (দু’পর্বে ৩-১) শেষ আটে লিওনেল মেসির দল।

 চেলসি, আর্সেনালের পরে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিও পারল না ইংলিশ ফুটবলের মান বাঁচাতে। ফলে গত কয়েক বছরে এই প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে দেখা যাবে না কোনও ইংলিশ দলকে। গোল না পেলেও গোটা ম্যাচেই ম্যান সিটি রক্ষণকে নাজেহাল করেন মেসি। এক দিকে যেমন কখনও উপরে উঠে কখনও রক্ষণে নেমে এসে করে আক্রমণ সাজান। পাশাপাশি ঠিকানা লেখা পাসও বাড়ান। এলএম টেনের পাসেই রাকিটিচ গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে ১-১ করার সুযোগ থাকলেও প্রথম পর্বে মেসির মতো পেনাল্টি ফস্কান তাঁর সতীর্থ সের্জিও আগেরো।

রেফারির ‘ফুল টাইম’ বাশি বাজতেই লুই এনরিকে স্বীকার করেন তাঁর দেখা সেরা ফুটবলার মেসিই। “আমরা সবাই জানি লিওনেল মেসি কী রকম ফুটবলার। কোনও সন্দেহ নেই ফুটবলবিশ্বের সেরা মেসি। ও দলে থাকলে আলাদা আত্মবিশ্বাস পায় বার্সা।” সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “কী করে দু’পর্বে কোনও গোল নেই মেসির ভেবে আমিও আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি।” বার্সার এই সাফল্যের পিছনে প্রাক্তন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলাকেও কৃতিত্ব দিচ্ছে স্প্যানিশ প্রচারমাধ্যম। প্রিয় দলের খেলা দেখতে বুধবার ক্যাম্প ন্যুতে উপস্থিত ছিলেন গুয়ার্দিওলা স্বয়ং। প্রাক্তন ছাত্রের অনবদ্য পারফরম্যান্সে যেমন করতালি দিলেন। ঠিক তেমনই বার্সার গোলের সময় নিজেকে শান্ত রাখতে না পেরে সিট ছেড়ে উঠে মুখ স্কার্ফে লুকিয়ে সেলিব্রেট করেন গুয়ার্দিওলা। ভুলে গিয়েছিলেন শেষ আটে হয়তো তাঁর এখনকার টিম বায়ার্ন মিউনিখের উপর দায়িত্ব পড়তে পারে মেসিকে আটকানোর।

তবে মেসি আপাতত এ সব ভাবছেন না। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার মিশন শেষ করে আর্জেন্তিনীয় মহাতারকার ফোকাস এখন এল ক্লাসিকোতে। রবিবার রাতের মহারণের আগে এলএম টেন জানিয়ে দিলেন, বিশ্বফুটবলের এই ক্লাসিক যুদ্ধের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা আছে। “রিয়াল মাদ্রিদকে শ্রদ্ধা করি। ওরা ভয়ঙ্কর দল। ভাল ভাল ফুটবলার আছে। খুব কঠিন লড়াই হবে।” মেসির সতীর্থ আন্দ্রে ইনিয়েস্তা বলেন, “কোনও দলের ফর্মের উপর এল ক্লাসিকো নির্ভর করে না। আমাদের সে দিন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভাল খেলতে হবে। রবিবার যদি তিন পয়েন্ট পাই অনেকটাই চাপমুক্ত হওয়া যাবে।”

অন্য দিকে আবার ২০০৬-এর পরে দ্বিতীয় বার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল জুভেন্তাস। মেসির মতো আর এক আর্জেন্তিনীয় তারকার দাপটই ইতালির ক্লাবকে শেষ আটে নিয়ে যায়। কার্লোস তেভেজের জোড়া গোলের সৌজন্যে দ্বিতীয় পর্বে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডকে ৩-০ উড়িয়ে (দু’পর্বে ৫-১) শেষ আটে মাসিমিলিয়ানো আলেগ্রির দল। জোড়া গোলের মধ্যে প্রথমটা ২০ গজের দূরত্ব থেকে করেন তেভেজ। ম্যাচের পর তেভেজ বলেন, “একার কৃতিত্বে নয়। গোটা দল ভাল খেলেছে বলেই কোয়ার্টারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে পেরেছি আমরা। ঠিক পথেই এগোচ্ছে টিম।”

 

কোয়ার্টার ফাইনালে

বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, আটলেটিকো মাদ্রিদ, প্যারিস সাঁ জাঁ, এএস মোনাকো, এফসি পোর্তো, জুভেন্তাস, বায়ার্ন মিউনিখ।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন