• নিজস্ব সংবাদদাতা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ঘূর্ণি পিচে বিপর্যয়, লড়লেন একা মনোজ

Manoj
লড়াকু: ৭৩ রানে অপরাজিত থাকলেন মনোজ। ফাইল চিত্র

এগারোজনের মধ্যে পাঁচজনই শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছেন। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে মরণ-বাঁচন ম্যাচে যেখানে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে ড্র করলেই কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত হয়ে যেত, বাংলা সেখানে ১৩৮ রানে অলআউট। দিনের শেষে তিন উইকেট হারিয়ে পঞ্জাবের রান ৯৩। 

পাটিয়ালার ধ্রুব পান্ডোব স্টেডিয়ামে বুধবার টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। চতুর্থ ওভারের মাথায় বলতেজ সিংহের ইনসুইংয়ে বোল্ড হয়ে ফিরে যান অধিনায়ক। তার পরে একে একে ড্রেসিংরুমের রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেন বাংলার ব্যাটসম্যানেরা। ব্যতিক্রম মনোজ তিওয়ারি। সাতটি চার ও একটি ছয়ের সৌজন্যে ৭৩ রানে অপরাজিত তিনি। 

ম্যাচ শুরু হওয়ার দু’দিন আগে থেকেই বাংলা শিবিরে পিচ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। যদিও বাংলার কোচ অরুণ লাল বললেন, ‘‘যে রকম আশা করেছিলাম, তার চেয়ে পিচ অনেক ভাল। মনোজের ইনিংস দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। পিচ যে রকমই হোক, ব্যাটসম্যানদের তো রান করতে হবে।  আমাদের ব্যাটসম্যানেরা দাঁড়াতেই পারেনি। অভিমন্যুর রান না পাওয়া সব চেয়ে বড় সমস্যা।’’

কোচ সব চেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ অভিষেক রামনের আউট হওয়ার ভঙ্গি দেখে। অরুণ বলছিলেন, ‘‘অফস্পিনারের বিরুদ্ধে হঠাৎ স্টেপ আউট করে মারতে চলে গেল ও। মিসটাইম হওয়ায় ক্যাচ। সেই মুহূর্তে এ ধরনের শট একেবারেই প্রয়োজন ছিল না। ভাগ্যিস মনোজ রান পেল। না  হলে এই রানটাও হত না।’’ 

এ দিন অর্ণব নন্দীকে চার নম্বরে নামিয়েছিল বাংলা। যাতে স্পিনারদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের স্থানীয় ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা তিনি কাজে লাগাতে পারেন। কোচের ভরসা রাখতে পারেননি তিনি। ফিরে যান ১১ রান করে। ১৯ রান করেন শ্রীবৎস। ৩৯তম ওভারে বাঁ-হাতি স্পিনার বিনয় চৌধরির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে যান। একই ওভারে ফিরে যান অনুষ্টুপ (০) ও শাহবাজ আহমেদ (০)। ছয় উইকেন নেন বিনয়। তিন উইকেট পেসার বলতেজের। 

চার স্পিনার নিয়ে খেলা বাংলার লক্ষ্য বিপক্ষকে ১৭০ রানের মধ্যে অলআউট করে দেওয়ার। ইতিমধ্যেই দু’টি উইকেট নিয়ে ফেলেছেন শাহবাজ। একটি উইকেট আকাশ দীপের। বৃহস্পতিবার তাঁদের উপরেই দায়িত্ব মনদীপ সিংহদের দ্রুত ফেরানোর।

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন