অধিনায়কের মত একাই লড়ে চলেছেন দীনেশ চান্দিমল। একটা সময় পর্যন্ত সমানে সমানে সঙ্গ দিয়ে গিয়েছেন ম্যাথুস। তৃতীয় দিনের শেষেও শেষ উইকেটকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ দিনের লড়াই শুরুর বার্তাও দিয়ে রাখলেন তিনিই। হয়তো ছাপিয়ে যেতে পারবেন না লক্ষ্যকে। সেটা বেশ কঠিন।

এখনও প্রথম ইনিংসে ভারতের থেকে পিছিয়ে ১৮০ রানে। হাতে রয়েছে মাত্র একটাই উইকেট। একা সেই লড়াইটা দেওয়া সম্ভবও নয়। তবুও ৫৩৬ রানের বিরাট পাহাড়কে সামনে রেখে যে ভাবে লড়ে গেলেন শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক সেটা অধিনায়কচিতই বটে।

এই ম্যাচে সব থেকে বড় প্রতিবন্ধকতা অবশ্যই দিল্লির আবহাওয়া দূষণ। শেষ পর্যন্ত মাস্ক পরে খেলতে হয়েছে ক্রিকেটারদের। শ্রীলঙ্কার অনেক প্লেয়ার মাকি অসুস্থও হয়ে পড়েছেন। ড্রেসিংরুমে ফিরে বমিও করেছেন কেউ কেউ। তার মধ্যেও লড়াই দিয়ে চলেছেন এই ব্যাটসম্যান অধিনায়ক।

প্রথম টেস্ট ড্রয়ের পর দ্বিতীয় টেস্ট জিতে নিয়েছে ভারত। তৃতীয় টেস্ট জিতে ২-০তে সিরিজ জিতে নেওয়া ভারতের লক্ষ্য হলে শ্রীলঙ্কার লক্ষ্য সিরিজে সমতায় ফেরা। যা বেশ কঠিন।

আরও পড়ুন

২ কোটি থেকে ১২ কোটিতে বিরাটরা

দিল্লিতে তৃতীয় টেস্টের শুরুতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিরাট কোহালি। ওপেনার মুরলী বিজয়ের ১৫৫ রানের ইনিংসের পর বিরাট কোহালির ২৪৩। শেষে সংযোজন রোহিত শর্মার ৬৫। যার ফলে ভারতের রান পৌঁছে গিয়েছিল ৫৩৬/৭। এর পরই ইনিংস ঘোষণা করে দেয় ভারত। সান্দাকান ৪ উইকেট নিয়েও ভারতকে আটকাতে পারেনি বড় রান করতে।

সেঞ্চুরির পর চান্দিমল। ছবি: পিটিআই।

বিরাট রানের টার্গেটকে সামনে রেখে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে বেশ কিছুটা নড়বড়ে দেখায় শ্রীলঙ্কাকে। যার ফলে শক্ত ভিতটাই তৈরি করতে পারেনি তাঁরা। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কা ইনিংসের হাল ধরেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। ২৬৮ বল খেলে যখন অশ্বিনের বলে ঋদ্ধিমানকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তখন তাঁর নামের পাশে ১১১ রান লেখা হয়ে গিয়েছে। তার সঙ্গেই ব্যাট করতে শুরু করেছিলেন চান্দিমল। দিনের শেষে এখনও ক্রিজে টিকে তিনি। ১৪৭ অপরাজিত।

ম্যাথুস ফিরে যাওয়ার পর একে একে প্যাভেলিয়নে ফেরেন সামারাবিক্রমা, সিলভা, ডিকওয়েলা, লাকমল ও গ্যামেজ। এই মুহূর্তে চান্দিমলের সঙ্গে ক্রিজে রয়েছেন সান্দাকান। তৃতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা ৩৫৬/৯। ভারতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দুটো করে উইকেট শামি, ইশান্ত ও জাডেজার।